যশোরের বেনাপোল সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যদের সঙ্গে চোরাকারবারীদের সংঘর্ষের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।
বুধবার দিনগত রাতে বেনাপোল সদর বিজিবি ক্যাম্পের হাবিলদার নাইমুল ইসলাম বাদী হয়ে বেনাপোল পোর্ট থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ২৭ জনের নাম উল্লেখসহ আরো ২০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।
বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) নূর আলম মামলার বিষয়ে বলেন, এ পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেফতার করা হয়নি। তবে অভিযান অব্যহত রয়েছে।
উল্লেখ্য, বুধবার (২ সেপ্টম্বর) দুপুরে বেনাপোলের ভবারবেড় গ্রামের রেল লাইনের পাশ থেকে খুলনাগামী একটি রেলে চোরাকারবারীরা ভারতীয় পটকা বাজির চালান উঠানোর চেষ্টা করে। এ সময় পুলিশ সদস্যরা ৪ কার্টুন ও বিজিবি ২ কার্টুন পটকাবাজি আটক করে। এসময় একদল চোরাকারবারী বিজিবির উপর হামলা করে ২ কার্টুন পটকা সিনিয়ে নেয়।
একপর্যায়ে চোরাকারবারীদের ছোড়া পাথরের আঘাতে বিজিবি সদস্য হাবিলদার নাইমুর রহমান জখম হয়। এ ঘটনার পরে বিজিবি সদস্যরা বেশি লোকবল নিয়ে চোরাকারবারীদের ধরতে ওই গ্রামে অভিযান চালায়। এতে বিজিবির হামলায় নিরীহ গ্রামবাসী ভবারবেড় গ্রামের হাজারীর ছেলে আব্দুর রউফ, শামসুর রহমানের ছেলে তুষার, মিন্টু হোসেনের ছেলে বাবুসহ আটজন আহত হয়।
ভবারবেড় গ্রামের পৌর কমিশনার জোছনা বেগম বলেন, বিজিবি-চোরাকারবারীদের সংঘর্র্ষের ঘটনায় মামলা হওয়ায় আতঙ্কিত হয়ে ইতিমধ্যে এলাকা পুরুষ শূন্য হয়ে পড়েছে। অপরাধী ও নিরাপরাধীসহ সবাই আটকের ভয়ে পালিয়েছে। নিরীহ মানুষ যেন কোন প্রকার হয়রানী বা ক্ষতির শিকার না হয় সে দিকে লক্ষ্য রাখার জন্য বিজিবি কর্মকর্তাদের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।
এ ব্যাপারে ২৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জাহাঙ্গীর হোসেন প্রতিবেদককে বলেন, চোরাকারবারীরা বিজিবি সদস্যদের ওপর হামলা করে আটক চোরাইপণ্য ছিনিয়ে নিয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের আসামি করে মামলা করা হয়েছে। এক্ষেত্রে কোনো নিরাপরাদ মানুষ হয়রানীর শিকার হবেনা বলেও জানান তিনি।
এআই





