নাটোরে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও বিএনপি কর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় যুবলীগ নেতা রাজিব ও নাজমুলসহ দুই দলের ১০ নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন।

স্থানীয়রা জানান, শনিবার বিকেলে শহরের স্টেশন বাজার একতার মোড়ে সদর থানা যুবলীগ জাতির জনকের স্বরণে শোকসভার আয়োজন করে।

এতে প্রধান অতিথি নাটোর সদরের এমপি এবং জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শিমুল সভায় পৌঁছার পর সন্ধ্যা ৬টার দিকে তেবাড়িয়া এলাকার আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে সমাবেশে রওনা হন।

এ সময় মিছিলকারীরা রিংকু নামে স্থানীয় এক ছাত্রদল কর্মীকে দেখতে পেয়ে মারধর করে।

খবর পেয়ে স্থানীয় বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদল নেতা-কর্মীরা সংঘবদ্ধ হয়ে এগিয়ে এলে দুই দলের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় বেশ কয়েক রাউন্ড গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে।

এরপরই আওয়ামী লীগ কর্মী-সমর্থকরা ক্ষুব্ধ হয়ে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা ও সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়াম্যান ফয়সাল হোসেন আবুলের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ কয়েকটি বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়।

এ দিকে গুলিবিদ্ধ যুবলীগ নেতা রাজিবকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এবং নাজমুলকে নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

রাজিবের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। রাজিব একই এলাকার হুগোলবাড়িয়া মহল্লার আমিনের ছেলে এবং নাজমুল তেবারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্রাক্তন চেয়ারম্যান নাদের হোসেনের ছেলে।

পুলিশ সুপার শ্যামল কুমার মুখার্জী সংঘর্ষের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এমকে