ভারতের ব্যাঙ্গালোরে ৪ নারী’সহ ১৩ বাংলাদেশী অভিবাসীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২২ আগস্ট) সারজাপুর রোডের পাশে কোমাসান্দ্রা গ্রাম থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার করা ওই বাংলাদেশীরা হলেন- মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম (২০), মোহাম্মদ হাবিব খান (৪৫), মোহাম্মদ শাহিন কাগহি ((২৬), ইসমাইল খান (২৫), মোহাম্মদ রকিব (২০), মোহাম্মদ বুরেদার পরুগি (২২), বাবুল খান (৪৫), মোহাম্মদ আরিফ শিকদার (১৮) ও মোহাম্মদ সাদ্দাম হোসেন (২২)। চার নারী হলেন তানিয়া (২০), কাকলি (৪২), আসমা (২৫) ও মোসুমি (২২)। এ খবর দিয়েছে অনলাইন ডেকান হেরাল্ড।
এতে আরও বলা হয়, স্থানীয় একজন অধিবাসী নাগেশ তাদেরকে আশ্রয় দিয়েছিলেন। গ্রেফতার করা ব্যক্তিদের মধ্যে একটি গ্রুপ সেখানে প্রায় এক বছর ধরে অবস্থান করছিল। অন্য গ্রুপ তাদের সঙ্গে যোগ দেয় ৬ মাস আগে। এর ফলে স্থানীয় লোকজনের সন্দেহ হয়। তারা তাদের দিকে নজর রাখতে শুরু করেন। তাদের একজন স্থানীয় পুলিশকে ঘটনা জানান। সেদিনই পুলিশ তুলে নেয় মোহাম্মদ শফিকুল ইসলামকে এবং তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে।
শফিকুল ইসলাম পুলিশের কাছে স্বীকার করেন যে, ভারত-বাংলাদেশের স্পর্শকাতর সীমান্তের বনাঞ্চল দিয়ে তারা ভারতে প্রবেশ করেছেন। তবে তাদের কাছে কোনো ভিসা বা পাসপোর্ট নেই। তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে অন্য ১২ জনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে ৪ জনকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
অন্যদিকে ৪ নারী’সহ অন্য ৯ জনকে রাখা হয়েছে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে। সারজাপুর পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে ফরেনারর্স অ্যাক্ট ১৯৪৬ এর অধীনে অভিযোগ এনেছে। তারা কি কারণে ভারতে প্রবেশ করেছে তা জানার জন্য চেষ্টা করছে পুলিশ। তদন্ত করে দেখা হচ্ছে তারা কোনো সন্ত্রাসী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত কিনা।
এমবি





