চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের নতুন জাতীয় বেতন স্কেলে অন্তর্ভুক্তির দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি (বাকবিশিস)।

শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সেমিনার রুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন বাকবিশিস এর নির্বাহী সভাপতি মো. আবদুর রশীদ।

আবদুর রশীদ বলেন, ‘সরকার গঠিত ‘অষ্টম জাতীয় পে অ্যান্ড সার্ভিসেস কমিশন’ প্রতিশ্রুতি মোতাবেক প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য একটি যুগোপযোগী বেতন কাঠামো প্রস্তাব করেছে। কিন্তু প্রস্তাবিত বেতন কাঠামোতে সকলের নতুন স্কেলে বেতন প্রদান আগামী জুলাই থেকে কার্যকরের সুপারিশ করা হলেও বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারীদের ক্ষেত্রে ৬ মাস দেরিতে কার্যকরের সুপারিশ করা হয়েছে। কমিশনের এই সুপারিশে দেশের ৫ লাখের বেশি বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ।’

এই বৈষম্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘১৯৯৭ সালে পঞ্চম পে কমিশনের সুপারিশক্রমে প্রজাতন্ত্রের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মতো এমপিওভূক্ত বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারিদেরও নতুন বেতন কাঠামোতে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছিল। তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার বলেছিল শিক্ষকদের বেতনের জন্য আর কখনও আন্দোলন করতে হবে না। পরে ২০০৫ সালে ষষ্ঠ এবং ২০০৯ সালে সপ্তম পে কমিশনেও ১৯৯৭ সালের ধারাবাহিকতা বজায় ছিল।’

কিন্তু এখন অষ্টম পে-কমিশনে বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের নতুন বেতন কাঠামোয় অন্তুর্ভূক্তির ক্ষেত্রে পশ্চাদমুখী নীতি অনুসরণ করা হয়েছে বলে মনে করেন তিনি।
প্রস্তাবিত বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে বৈষম্যমূলক নীতির অবসান ঘটাতে প্রধানমন্ত্রী এবং শিক্ষামন্ত্রীর প্রতি সংগঠনের পক্ষ থেকে আহ্বান জানান আব্দুর রশীদ।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বাকবিশিস এর সভাপতি প্রফেসর ড. মো. আখতারুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক সিরাজুল হক আলো, সহ সভাপতি অধ্যক্ষ অধীর চন্দ্র সরকার প্রমুখ।
জেআই