লক্ষ্মীপুরের সহকারী পুলিশ সুপার সৌকত শাহীনকে বহনকারী পুলিশের পিকআপ ভ্যানের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত যুবক বাবুল হোসেনের (৩২) মৃত্যু হয়েছে। এসময় পুলিশ তাকে উদ্ধার না করে উল্টো তার ওপর ক্ষিপ্ত হয়। আটক করে তার মোটরসাইকেলটি। এমন অভিযোগ করেছে বাবুলের ভাই শাহজাহান।
আহত বাবুল চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেয়ার পথে কুমিল্লার বিশ্ব রোডে পৌঁছলে বুধবার রাত পৌঁনে ৯টার দিকে তার মৃত্যু হয়। এর আগে দুপুর ২টার দিকে কমলনগর উপজেলার হাজিরহাট দক্ষিণ বাজারে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত বাবুল হোসেন কমলনগর উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নের চর জাঙ্গালিয়া গ্রামের নুর মোহাম্মদ চৌধুরীর ছেলে। তিনি সৌদি প্রবাসী ছিলেন। সম্প্রতি দেশে ফেরেন তিনি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বাবুল মোটরসাইকেলযোগে হাজিরহাট বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে দক্ষিণ বাজারে পৌঁছলে বিপরীত দিক থেকে আসা পুলিশের গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে গুরুতর আহত হন মোটরসাইকেলআরোহী বাবুল। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। চিকিৎসকদের পরামর্শে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
নিহত বাবুলের ভাই শাহজাহান ও তার স্বজনরা জানায়, বাবুল পুলিশের গাড়ির ধাক্কায় গুরুতর আহত হলেও পুলিশ তাকে উদ্ধার না করে উল্টো তার ওপর ক্ষিপ্ত হয়। আটক করে তার মোটরসাইকেলটি। পরে বাজারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
কমলনগর থানার ওসি কবির আহাম্মদ বাবুলের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এএইচ





