দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে একই পরিবারের দগ্ধ পাঁচ সদস্যের মধ্যে আব্দুল গনি (৫) নামে এক শিশু মারা গেছে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার ভোরে শিশুটির মারা যায়।

আবাসিক চিকিৎসক পার্থ শঙ্কল পাল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাত ২টার দিকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার টিলাবাড়ী গ্রামের আক্তার মিয়া ওরফে অপু মাস্টারের বাড়ির একটি বাসায় আগুন লেগে একই পরিবারের পাঁচ জন দগ্ধ হয়েছেন।

ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন পরিবারের অপর সদস্যরা হলেন— মো. রিপন (৪০), তার স্ত্রী মলিদা (৩৩), মেয়ে রিপা (১৫) ও ছেলে মারুফ হোসেন (১০)।

ঘটনার দিন প্রতিবেশী মনির হোসেন জানান, রাতে সিলিং ফ্যান থেকে শর্টসার্কিট হয়ে বাড়িতে আগুন লাগে। এতে তারা আগুনে দগ্ধ হয়ে বাড়ির সামনে পানিতে গড়াগড়ি ও চিৎকার চেচামেচি করছিলেন। এ সময় তাদের চিৎকারে প্রতিবেশীরা এসে তাদের উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করেন।

পোস্তগোলা দমকল বাহিনীর ইনচার্জ মোস্তফা মহসিন জানান, বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে স্পার্ক করে আগুন বের হয়। এতে ঘরে আগুন লেগে অগ্নিদগ্ধ হয়ে একই পরিবারের পাঁচজন আহত হন।

ঢামেক হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক পার্থ শঙ্কর পাল জানান, দগ্ধদের মধ্যে রিপনের ৬৫ শতাংশ, তার স্ত্রী মলিদার ৩১ শতাংশ, মেয়ে রিপা আক্তারের ২০ শতাংশ ও ছেলে মারুফ হোসেনের শরীরের ২২ শতাংশ পুড়ে গেছে। এ ছাড়া মারা যাওয়া ছোট ছেলে আব্দুল গণির শরীরের ৪০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।

কেএইচ