আল্লামা আহমদ শফীকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। রবিবার (৭ জুন) দিবাগত রাত ৮টার দিকে তাকে হাটহাজারী দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসা থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে আনা হয়। এরআগে তিনি বেশ কিছুদিন মাদ্রাসাতেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছিলেন।
সোমবার (৮ জুন) ভোর পৌনে ৬টার দিকে হেফাজতের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী এই তথ্য জানান।
মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী জানান, বার্ধক্যজনিত কারণেই শরীর দুর্বল হয়েছে হুজুরের। রবিবার রাত ৮টার দিকে চট্টগ্রামে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে। এরপর চিকিৎসকেরা তাকে আইসিইউতে ভর্তি করেন। শারীরিক অন্যান্য কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানো হয়েছে, সবকিছু স্বাভাবিক এসেছে।
আহমদ শফীকে হাসপাতালে আনার খবর পেয়ে রবিবার রাতে হাসপাতালে গিয়েছিলেন ইসলামী চট্টগ্রাম ছাত্র খেলাফত যুগ্ম সম্পাদক ওসমান কাসেমী। তিনি জানান, কয়েকদিন ধরেই শ্বাসকষ্টে ভুগছেন আল্লামা শফী। রবিবার শরীর বেশি খারাপ হলে মাগরিবের পর মাওলানা আনাস মাদানাীসহ কয়েকজন হাসপাতালে নিয়ে আসেন।
চট্টগ্রামের হাটহাজারীর স্থানীয় একজন সাংবাদিক বলেন, 'গত কয়েকমাসে দফায়-দফায় হাসপাতালে যেতে হয়েছে আহমদ শফীকে। ১১ এপ্রিল তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে প্রথমে চট্টগ্রামের একটি হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়। এরপর ১৪ এপ্রিল ঢাকার আজগর আলী হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেখান থেকে ফিরে গিয়ে হাটহাজারী মাদ্রাসাতেই অবস্থান করছিলেন। একইসঙ্গে তার চিকিৎসাও চলছিলো।'
স্থানীয় এই সাংবাদিক এও জানান, গত বেশ কয়েক মাস ধরেই হাটহাজারী মাদ্রাসায় আহমদ শফীর পর কে মহাপরিচালক হবেন, এ নিয়ে শীতল লড়াই চলছিল। যা গত এক মাসে প্রকাশ্যে এসেছে কয়েকবার। ইতোমধ্যে স্থানীয় প্রশাসনের একাধিক ব্যক্তিও যুক্ত হয়েছেন এই তৎপরতায়। পরিস্থিতি দিনে-দিনে অবনতির দিকে যাচ্ছে বলে আশঙ্কাও করেছেন নাম ও পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক তৃণমূল-সাংবাদিক।
এমআর





