২০ দলীয় জোটের লাগাতার অবরোধের সাথে বগুড়ায় চলমান ৪৮ ঘণ্টার হরতালের দ্বিতীয় দিনেও সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা অচল রয়েছে। মহাসড়কে কোনো যানবাহন নেই। পুলিশ পাহারায় দু’একটি বাস ও ট্রাক চলাচলের চেষ্টা করা হলেও তা সফল হচ্ছে না। গাড়ির চালক ও হেলপাররা অজানা আতঙ্কে রাস্তায় নামছেন। সর্বশেষ বুধবার রাতে বগুড়ায় ৫টি ট্রাকে ভাঙচুর, পেট্রোল বোমা হামলা ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।

আজ বৃহস্পতিবার হরতালে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। শহরে রিকশা চলাচল করলেও সিএনজি ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচল বন্ধ রয়েছে। হরতালের সমর্থনে বিভিন্ন স্থানে মিছিল করেছে বিএনপি ও জামায়াত।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত ৯টায় বগুড়া নওগা মহাসড়কের সদরের গোদারপাড়ার কাফেলা কোল্ডস্টোরের সামনের রাস্তায় আলু বোঝাই একটি ট্রাকে কে বা কারা ককটেল নিক্ষেপ করলে চালক ও হেলপার দ্রুত গাড়ি থেকে নেমে যায়। এরপর ট্রাকটি রাস্তার পাশে খাদে পড়ে যায়। তখন তাতে পেট্রোল বোমা মারলে আগুন ধরে। এতে ট্রাকের সামনের অংশ পুড়ে যায়।

এরপর সেখানে আরো একটি সার বোঝাই ট্রাকে আগুন দেয়া হয়। এতে ট্রাকের সামনের অংশ পুড়ে যায় । কিন্তু কোনো হতহাত হয়নি।

রাত ৯টার দিকে শহরের মফিজ পাগলার মোড়ে পর পর দু’টি ককটেল বিস্ফোরণে এলাকা প্রকম্পিত হয়ে উঠে।

রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনমাথার পাশে নিরালা ফিলিং স্টেশনের সামনের শহরের প্রথম বাইপাস রোড়ে তিনটি ট্রাকে আগুন দেয়া হয়েছে। এতে ট্রাকগুলোর সামনের অংশ পুড়ে গেছে কিন্তু কেউ আহত হয়নি।

ফায়ার সার্ভিস এসব আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

প্রতিটি ঘটনার আগেই চালক ও হেলপাররা ট্রাক থেকে নেমে যাওয়ার কারণে কেউ আহত হয়নি।

সদর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলগুলো পরিদর্শন করেছে।

এএইচ