কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে গত সেপ্টেম্বর মাসে ৯ কোটি ৬৫ লাখ ৭৪ হাজার ৫১৮ টাকা মূল্যের ইয়াবা, মাদকদ্রব্য ও চোরাই পণ্য উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা। এসব ঘটনায় ২৫ জনকে আটক ও ৬ জনকে পলাতক আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এছাড়া মিয়ানমারের ১৯৫ নাগরিককে স্বদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। টেকনাফ-২ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. আবু জার আল জাহিদ এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, গত সেপ্টেম্বর মাসে ৮ কোটি ৩৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা মূল্যের ইয়াবাসহ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়। এতে ২ লাখ ৬৯ হাজার ২৬ পিস ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় ৩৯ মামলায় ২৫ জন আটক ও পাঁচজনকে পলাতক আসামি করা হয়।
উদ্ধার ইয়াবার মূল্য ৮ কোটি ৭ লাখ ৭ হাজার ৮০০ টাকা। এর মধ্যে মালিকসহ ৮৩ হাজার ২৬৬ পিস ও মালিকবিহীন ১ লাখ ৮৫ হাজার ৭৬০ পিস ইয়াবা রয়েছে।
এছাড়া সীমান্ত ও চেকপোস্টগুলোতে এ মাসে অভিযান চালিয়ে ৮ হাজার ১৮৯ ক্যান বিয়ার, ৬৩৯ বোতল বিভিন্ন প্রকার মদ, ৫ কেজি গাঁজা, ১২০ লিটার চোলাই মদ জব্দ করা হয়। যার আনুমানিক মূল্য ৩০ লাখ ৬২ হাজার ৭৫০ টাকা। এসব মাদকদ্রব্য উদ্ধারের ঘটনায় ২৯ মামলায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
অপরদিকে ১ কোটি ২৮ লাখ ৩ হাজার ৯৬৮ টাকার বিভিন্ন প্রকার চোরাই পণ্য উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে বিজিবি। এতে ৫৫ মামলায় একজনকে পলাতক আসামি করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
বিজিবির এ কর্মকর্তা আরো জানান, টেকনাফের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশকালে মিয়ানমারের ১৯৫ নাগরিককে আটক করে স্বদেশে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। এর মধ্যে ৯৮ পুরুষ, ৫৯ নারী ও ৩৮ জন শিশু ছিল।
এমএনজে





