পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। আমরা যত দূর জানি, বাংলাদেশিরা নিরাপদে আছেন এবং কেউ যদি দেশে ফিরতে চান তবে তাকে দূতাবাসের পক্ষ থেকে সহায়তা করা হবে বলে জানিয়েছেন ইরাকে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল রেজানুর রহমান খান।

 ইউএনবিকে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে  তিনি এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল রেজানুর রহমান খান বলেন, সংকট চলাকালে কোনো পক্ষ যাতে সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা না করে এজন্যই এ সতর্কবার্তা। আটকে পড়া বাংলাদেশিদের সহায়তায় দূতাবাস ২৪ ঘণ্টার একটি হেলপ লাইন (০০৯৪৬-৭৮১৬৬০১৮০৫, ০০৯৬৪-৭৮১৪২৩৮৩৫১) চালু করেছে। এ বিষয়ে অন্য কারও দ্বারস্থ না হয়ে কেবল দূতাবাসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে ইরাকে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

সাক্ষাতকারে রাস্ট্রদূত আরো বলেন, সাধারণত শ্রমিকদের পাসপোর্ট তাদের মালিকদের কাছে গচ্ছিত থাকে। পাসপোর্ট না থাকলেও কেউ ফিরতে চাইলে তাকে পাঠানো হবে। আটকে পড়া বাংলাদেশিদের খুব জরুরি না হলে ঘর থেকে বের না হওয়ার পরামর্শও দেন তিনি।

বিবিসি বাংলাকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছিলেন, প্রয়োজনে ইরাক থেকে বাংলাদেশি নাগরিকদের সরিয়ে আনার জন্য এরই মধ্যে প্রাথমিক কাজ শুরু করা হয়েছে। অবশ্য এই মুহূর্তে তাদের ফিরিয়ে আনার বিষয়ে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

২০০৩ সালে ইরাকে সামরিক অভিযান চালিয়ে প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনকে উৎখাত করে যুক্তরাষ্ট্র। এরপর ২০১১ সালে ইরাক থেকে সব সৈন্য ফিরিয়ে নেয় যুক্তরাষ্ট্র। এর দুই বছর পর ইরাকের ক্ষমতাসীন শিয়া মতাবলম্বী প্রধানমন্ত্রী নূরি আল মালিকির সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র হামলায় নেমেছে সুন্নি বিদ্রোহীরা। এরই মধ্যে মসুলসহ গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি শহর দখলে নিয়েছে তারা।

ঢাকা, ২১ জুন (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই