ধানের শীষে ভোট দেওয়াকে কেন্দ্র করে নোয়াখালীর সুবর্ণচরে এক মহিলাকে গণধর্ষণের ঘটনায় নির্দেশদাতা ইউপি সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

এ সময় আরো একজনকে গ্রেফতার করা হয়। বুধবার (২ জানুয়ারি) গভীর রাতে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

এ ঘটনায় এ পর্যন্ত মোট পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মো: রুহুল আমিন ৫নং চরজুবলী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য।

জব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নিজাম উদ্দিন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘বুধবার রাত আড়াইটার দিকে ইন্ধনদাতা রুহুল আমিনকে সদর উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নের ওয়াপদা থেকে গ্রেফতার করা হয়। এছাড়া এজাহারভুক্ত অন্য আসামি বেচুকে জেলার সেনবাগ উপজেলার খাঁজুরিয়া গ্রামের একটি ইটভাটা থেকে রাত দুইটার দিকে গ্রেফতার করা হয়।’

ওসি আরও বলেন, ‘এই মামলায় বাকি আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

উল্লেখ্য, রবিবার (৩০ ডিসেম্বর) পাংখারবাজার ১৪নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ধানের শীষে ভোট দিতে দেখে ওই নারীকে হুমকি দেয় সন্ত্রাসীরা। পরে রাত ১২টায় কয়েকজন লোক পুলিশ পরিচয় দিয়ে দরজা খুলতে বলে। পরে ১৫/১৬ জন সন্ত্রাসী ধানের শীষে ভোট দেওয়ায় ওই নারী ও তার স্বামীকে গালাগালি দেয়। এরপর অস্ত্র দেখিয়ে ওই নারীকে ঘরের বাইরে নিয়ে সবাই মিলে ধর্ষণ ও বেদম মারধর করে। পরে ওই নারীকে গলাকেটে হত্যারও চেষ্টা করে। সন্ত্রাসীরা চলে যাওয়ার পর পরের দিন প্রতিবেশীদের সহায়তায় ওই নারীকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সোমবার রাতে ৯ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন ওই নারীর স্বামী।

জেড