রাজধানীর যাত্রবাড়ী থানার রায়েরবাগ, শনিরআখড়া ও গোলাপবাগ এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে ৩ ভুয়া ডিবি পরিচয়দানকারী ও এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পুলিশের দাবি, তারা ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে সংঘবদ্ধভাবে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- হাফিজুর রহমান, মনির হোসেন, পিকুল শেখ ও মো. দুলাল ব্যাপারী। এদের শেষোক্ত জন মাদক ব্যবসায়ী।

এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি প্রাইভেটকার, একটি ওয়াকিটকি, ৭৫ কেজি গাঁজা ও ৯৫ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়।

বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ওয়ারী বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার সৈয়দ নুরুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘গ্রেপ্তারকৃতরা দীর্ঘদিন এ কাজের সঙ্গে জড়িত। তাদের একটি সংঘবদ্ধ চক্র ঢাকা শহর ও এর আশেপাশের বিভিন্ন জায়গায় ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছে। তাদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত আছে এবং সংঘবদ্ধ এ চক্রটির বাকি সদস্যদের গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া অব্যাহত আছে।’

এদিকে গতকাল (বুধবার) দুপুর ১২টার দিকে যাত্রাবাড়ী থানার গোলাপবাগ মোড় থেকে দুলাল ব্যাপারী নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দুলাল ব্যাপারী মাদক ব্যবসায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানায় পুলিশ।

তার চক্রের মূলহোতাকে গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। উদ্ধারকৃত গাঁজা, ফেনসিডিলের মূল্য ২৮ লাখ টাকা।

অন্যদিকে, বুধবার দিবাগত রাত সোয়া একটার দিকে রাজধানীর কদমতলী থানার পলাশপুর থেকে ৫০ কেজি গাঁজা ও সাড়ে তিনশ বোতল ফেনসিডিল, দুইটি পাসপোর্ট, একটি প্রাইভেটকার ও মাদক বিক্রির নগদ ১০ হাজার টাকা উদ্ধার করেছে কদমতলী থানা পুলিশ।

উদ্ধারকৃত মালামালের আনুমানিক মূল্য ২২ লাখ টাকা। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দুই মাদক ব্যবসায়ী আবদুল মতিন ও তার স্ত্রী রেখা আক্তার মাদক রেখে পালিয়ে যায়।

প্রাপ্ত তথ্যমতে, আসামিরা কুমিল্লা জেলার ভারতীয় সীমান্ত দিয়ে ফেনসিডিল, গাঁজা এনে ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করে।

তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

এমকে