ঝালকাঠিতে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন নিয়ে সোমবার সকালে দু’গ্রুপের সংঘর্ষে কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন। পুলিশ এ ঘটনায় দুই যুবদলকর্মীকে আটক করেছে।

আহতরা হলেন- জেলা বিএনপির যুববিষয়ক সম্পাদক রবিউল হোসেন তুহিন, শহর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রিয়াজ হোসেন, যুবদল নেতা আল-মাকসুদ কলিন্স, বারেক হাওলাদার, মো. সুমন, জাহিদ হোসেন, রাসেল মুন্সি, সুমন আচার্য্য, আকবর হোসেন ও জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মুবিন।

যুবদলের ৩৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জেলা যুবদল সভাপতি-সম্পাদক গ্রুপ ও আহ্বায়ক গ্রুপ পৃথক কর্মসূচি পালন করে।

আহ্বায়ক গ্রুপ শহরের ফায়ার সার্ভিস মোড়ে জেলা বিএনপির কার্যালয়ে কেক কাটা ও আলোচনা সভার আয়োজন করে। এর আগে শহরের কামারপট্টি এলাকায় উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে যুবদলের সভাপতি-সম্পাদক গ্রুপ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর পৃথক কর্মসূচি পালন করে।

ঝালকাঠি জেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান খান বাপ্পী অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার সভাপতিত্বে জেলা বিএনপি কার্যালয়ে আলোচনা সভা চলাকালে জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক শামীম তালুকদারের নেতৃত্বে ২০ জনের বেশি নেতাকর্মী অফিসে এসে হামলা চালিয়ে চেয়ার ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। এতে কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন।’

জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক শামীম তালুকদার এ ঘটনার পর সদর উপজেলার বাউকাঠি বাজারে এক সংবাদ সম্মেলন করেন। অভিযোগ করেন, আমরা কামারপট্টিস্থ জেলা বিএনপির কার্যালয় থেকে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কেটে আলোচনা সভা শেষে ফায়ার সার্ভিস মোড়ের বিএনপি কার্যালয়ের সামনে থেকে নেতাকর্মীদের নিয়ে বাসায় যাচ্ছিলাম। এ সময় জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান খান বাপ্পী আমাদের নিয়ে কটূক্তি করে। আমাদের ওপর ইট-পাথর মারতে থাকে। আমরা সম্মিলিতভাবে তা প্রতিহত করি।

ঝালকাঠি সহকারী পুলিশ সুপার আ ফ ম আনোয়ার হোসেন জানান, এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে মিজানুর রহমান ফরাজী ও রফিক মিয়া নামের দুই যুবদলকর্মীকে আটক করা হয়েছে। তবে কোনো মামলা হয়নি। এ ঘটনায় পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

জেআইি