সারাদেশে নদী রক্ষায় আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করেছে জাতীয় নদী কমিশন। ইতোমধ্যে কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যরা কমিশনে যোগদান করেছেন। আরও তিন সদস্যকে স্বল্প সময়ের মধ্যে নিয়োগ দেয়া হবে।
এছাড়া নদীর অবৈধ দখল, পরিবেশ দূষণ, শিল্পকারখানা সৃষ্ট নদী দূষণ, অবৈধ কাঠামো নির্মাণ ও নানাবিধ অনিয়ম রোধকল্পে সরকার ২০১৩ সালে ২২ জুলাই জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন আইন পাস করে। এই আইনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে গত ৩ আগস্ট এই কমিশন গঠন করা হয়।
বুধবার দুপুরে দৈনিক বাংলাস্থ শিল্প ভবন সংলগ্ন বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নদী কমিশনের উদ্বোধন করেন নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান। এসময় তিনি ফিতা কেটে এ কার্যালয়ের শুভ সূচনা করেন।
এ উপলক্ষে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন আয়োজিত এক আলোচনা সভায় নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাজাজান খান বলেন, ‘জাতীয় স্বার্থে দেশের সরকারি ও বেসরকারি সব সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান নদী রক্ষা সংক্রান্ত সব কার্যক্রমের মধ্যে সমন্বয় ঘটানো প্রয়োজন।’ কার্যকর সমন্বয়ের মাধ্যমে নদী রক্ষা, পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার জন্য সব উল্লেখিত সংস্থা প্রধানদের সহযোহিতা কামনা করেন মন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, ‘আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে নদীর বহুবিধ ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা যায়, কমিশন এ সংক্রান্ত সুপারিশ প্রদান করবে। দেশের খাল, জলাশয়, সমুদ্র দখল ও দূষণমুক্ত রাখার জন্যও এ কমিশন সরকারকে সুপারিশ প্রদান করবে।’
নৌ-পরিবহন মন্ত্রী আরও বলেন, ‘এসব কার্যক্রম বাস্তবায়নে কমিশনের জন্য এক কঠিন চ্যালেঞ্জ, তবে দুরুহ নয়। এর জন্য প্রয়োজন সঠিক পরিকল্পনা, দৃঢ় পদক্ষেপ ও সবার আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন।’
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘কমিশন অতিদ্রুত স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নেবে। নদী বাঁচলে দেশ বাঁচবে, দেশ বাঁচলে মানুষ বাঁচবে।’
জাতীয় নদী কমিশনের চেয়ারম্যান মো. আতাহারুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম ও কমিশনের সদস্য ও নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব মো. আলাউদ্দীন।
ঢাকা, ৩ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, জেআই





