যুবলীগের দুই গ্রুপের বন্দুকযুদ্ধে পাঁচজন আহত হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে পাবনা জেলার বাংলাবাজারে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া-সংঘর্ষসহ গুলিবিনিময় ঘটে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এলাকায় অতিরিক্তি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, যুবলীগকর্মী ইমন ও গ্যাদা হত্যার জের ধরে দুপুর আড়াইটার দিকে যুবলীগের দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়। পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। সংঘর্ষ চলাকালে উভয় পক্ষ ধারালো দেশিয় অস্ত্রসহ আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে। সংঘর্ষের সময় ২০-২৫ রাউন্ড গুলিবিনিময় হয়। এ ঘটনায় আহত হয় অন্তত ৫ জন। তবে তাদের নাম পরিচয় জানা যায়নি।
পাবনা থানার পরিদর্শক (ওসি-তদন্ত) বদরুদ্দোজা বলেন, ফের সংঘর্ষের আশঙ্কায় এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ১৫ আগস্ট শহরে জাতীয় শোক দিবসের র‌্যালিতে অংশ নেয় সদর উপজেলার বাংলাবাজার এলাকার বাসিন্দা যুবলীগকর্মী ইমন হোসেন (২৫)। র‌্যালির ভেতরেই দুর্বৃত্তরা ছুরিকাঘাতে হত্যা করে তাকে। এর জের ধরে সম্প্রতি আদালতে হাজিরা দিতে এসে খুন হন ইমন হত্যা মামলার আসামি যুবলীগকর্মী মণ্ডলপাড়ার বাসিন্দা গ্যাদা (৪০)।

পরপর দুই হত্যাকাণ্ডের পর থেকে বাংলাবাজার ও মণ্ডলপাড়ায় যুবলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে চরম বিরোধ দেখা যায়।

ঢাকা, ১৩ জুন (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেএ