ময়মনসিংহ বিভাগ ঘোষণা প্রসঙ্গে কৃষক শ্রমিক জনতালীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বলেন, "বিভাগ তো না ময়মনসিংহবাসীকে ললিপপ দিয়েছে।"

বুধবার ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার ডাক-বাংলোতে অবস্থান কর্মসূচি শেষে ৮৫তম পথ সভায় তিনি এ কথা বলেন।

শান্তির মা মরে গেছে উল্লেখ করে কাদের সিদ্দিকী বীরোত্তম বলেন, আমি প্রধানমন্ত্রী হতে চাই না, দেশের প্রধান দুই নেতা এভাবে মারামারি করলে শান্তি আসবে কোথা থেকে। আমি দেশের সর্বত্র শান্তি চাই।

তিনি বলেন, দেশের তিন প্রধান চরিত্রে নারী, তবুও আজ নারীরা নিরাপত্তাহীন। এদেশের তিন তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা সরকার দিতে পারে না। অথচ দেশের প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, কৃষিমন্ত্রী নারী তাহলে নারীদের নিরাপত্তা সরকার দিতে পারছে না কেন?

কাদের সিদ্দিকী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্দেশ্যে বলেন, তিনি শুধু সারাক্ষণ খালেদা জিয়াকে দোষারোপ করেন। আমার মনে হয় তিনি খালেদা জিয়ার নাম না নিয়া নামাজও পড়তে পারেন না।

তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু রাজাকার হলে তার (তারেক রহমান) বাপও রাজাকার। জিয়াউর রহমান পাকিস্তানির এজেন্ট হলে তাহলে আপনার (আ’লীগ) সরকার তাকে বীর উত্তম খেতাব দিলো কেন?

তিনি খালেদা জিয়ার উদ্দেশ্যে বলেন, আপনি মনে করেছেন আপনি একাই একশ, কিন্তু আপনি একা (প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে) পারবেন না, সবাইকে নিয়ে পারতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বিএনপি নেতারা দিনে বিএনপি করেন আর রাতের বেলায় করেন আওয়ামী লীগ।

রাজাকার বিষয়ে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বলেন, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীরকে আমি রাজাকার বলেছিলাম এতে আমার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। বর্তমানে ফুলবাড়ীয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের এমপি মোসলেম উদ্দিন পাকিস্তানের সঙ্গে ছিলেন। আওয়ামী লীগ করলেই মুক্তিযোদ্ধা, আওয়ামী লীগ না করলেই রাজাকার।

স্থানীয় কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের উপজেলা শাখার সভাপতি কাজী ইমান আলীর সভাপতিত্বে পথ সভায় আরোও বক্তব্য রাখেন- কেন্দ্রীয় কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম দেলোয়ার, যুব আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি হাবিবুর নবী সোহেল, জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক বিল্লাল হোসেন, উপজেলা সাধারণ সম্পাদক ডা. আব্দুর রাজ্জাক রাজা, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ নেতা আব্দুল হামিদ উদ্দিন মাস্টার, পৌর ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি প্রশান্ত বিশ্বাস, ছাত্রনেতা উল্লাস, লিংকন প্রমুখ।

এমকে