রাজধানীতে কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণে মাঠে নেমেছে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি-ডিএসসিসি)।
শনিবার (০১ আগস্ট) দুপুর ২টা থেকে এই কার্যক্রম শুরু করা হয়।
দুই সিটির মোট সাড়ে ১৭ হাজার কর্মীর পাশাপাশি ৭৫০টি গাড়ি মাঠে নেমে পড়েছে। দুই মেয়র জানিয়েছেন, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ করা হবে।
উত্তর সিটি মেয়র আতিকুল ইসলাম দুপুর ২টায় ডিএনসিসির সাঈদনগর কোরবানি পশুর হাট পরিষ্কারের মধ্যদিয়ে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।
আর দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস সকালে বলেছেন, দুপুর ২টার পর থেকেই কর্মীরা পরিচ্ছন্নতা কর্মক্রম শুরু করবেন।
ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ মো: এমদাদুল হক জানান, দুপুরের পরপরই তাদের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা মাঠে নেমে পড়েছেন। পাশাপাশি এ সংক্রান্ত যেসব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে, সবগুলোই প্রয়োগ করা হচ্ছে।
ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম জানান, এবছর ১০ হাজার টন বর্জ্য উৎপন্ন হবে- এই লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে তারা প্রস্তুতি নিয়েছেন। প্রতিবছরের মতো এ বছরও ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এসব বর্জ্য অপসারণ করা হবে। তিনি আরও জানান, বর্জ্য অপসারণের জন্য ডিএনসিসির নিজস্ব, আউটসোর্সিং এবং প্রাইমারি ওয়েস্ট কালেকশন সার্ভিস প্রোভাইডার (পিডব্লিউসিএসপি) কর্মীসহ ১১ হাজার ৫০৮ জন পরিচ্ছন্নতা কর্মী মাঠে রয়েছেন। ডিএনসিসির সর্বস্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও এ কাজের সঙ্গে সরাসরি নিয়োজিত রয়েছেন। এ জন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সব ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।
মেয়র আরও জানান, বর্জ্য অপসারণে ভারী ও হালকা মিলে ৪৩০টি যানবাহন মাঠে কাজ শুরু করেছে। ১১টি পানির গাড়ির মাধ্যমে স্যাভলন ও ব্লিচিং মিশ্রিত পানি ছিটিয়ে কোরবানির স্থান দূষণমুক্ত করা হচ্ছে। পরিবেশ সুরক্ষা ও দূষণমুক্ত রাখার লক্ষ্যে প্রায় ৫১ টন ব্লিচিং পাউডার ও ৫ লিটার ধারণক্ষমতা সম্পন্ন ৯৬০ ক্যান তরল জীবাণুনাশক ছিটানোর কাজ চলছে।
এমবি





