নালিতাবাড়ীর সীমান্তবর্তী কাটাবাড়ি পাড়া গ্রামে একপাল বন্যহাতির তাণ্ডবে ১১টি পরিবারের ১৯টি বসতঘর, আসবাবপত্র, গোলার ধান-চাল, আলু ও আদা ক্ষেত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

শুক্রবার ভোর আনুমানিক ৪টায় নাকুগাঁও স্থলবন্দর এলাকার কাটাবাড়ি পাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামবাসী আঞ্জেন্দ্র চিসিম জানান, অসংখ্য হাতির একটি পাল তার বসতঘর ভাঙার সময় তিনি দৌড়ে বাঁশ ঝাড়ে যেয়ে প্রাণে রক্ষা পান।

হাতির তাণ্ডবে ওই গ্রামের কার্তিনা ম্রং এর দুইটি বসতঘর,শামছুল হকের দুইটি বসতঘর ও আদা ক্ষেত,প্রভাত চিসামের দুইটি বসতঘর, অরুন ম্রং এর দুইটি বসতঘর ও শিমলা আলু (কাসাবা) ক্ষেত, নুরজাহানের একটি মুদি দোকান ঘর, হাজেরা বেগমের তিনটি এবং লেবেন মারাকের একটি বসতঘরসহ ১১ টি পরিবারের বসতভিটা লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে। বন্যহাতির তাণ্ডবে তাদের প্রায় অর্ধকোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানান এক ক্ষতি গ্রস্থ ব্যক্তি।

এ বিষয়ে বাতকুচি বনবিট কর্মকর্তা আমিনুল হক জানান, বন্যহাতির আবাসস্থলে মানুষ ঘর-বাড়ি বানানোয় এ ঘটনা ঘটছে। বনবিভাগের ১০ সদস্যবিশিস্ট একটি দল ঘটনাস্থলে কাজ করছে বলে তিনি জানান।

এদিকে, নালিতাবাড়ী উপজেলা চেয়ারম্যান একেএম মুকলেছুর রহমান রিপন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে আক্রান্ত এলাকায় রাতের বেলায় বন্যহাতি তাড়াতে মশাল জ্বালানোর জন্য দুই'শ লিটার কেরোসিন তেল বরাদ্দ দিয়েছেন।

ঢাকা, ১৫ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, এসআর