বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪০তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালন উপলক্ষে ঘাটাইল উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রস্তুতি সভায় হামলা এবং বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা হয়েছে।
মামলায় ঘাটাইল উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম সামুসহ ৬৪ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক শহীদুজ্জামান খান ওরফে ভিপি শহীদ বাদী হয়ে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দ্রুত বিচার আমলি আদালতে এই মামলা দায়ের করেন।
সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অঞ্জন কান্তি দাস ঘাটাইল থানার ওসিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মামলাটি এফআইআর হিসেবে গ্রহণের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার অন্য আসামিরা হচ্ছেন- মো. আরিফ হোসেন, মো. শহিদুল ইসলাম খান হেস্টিংস, মো. খলিলুর রহমান তালুকদার, মো. সুলতান মাহমুদ সুজন, মো. কামরুজ্জামান জুয়েল, মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন, মো. বিদ্যুৎ সরকার, মো বিপ্লব সরকার, মো. কবির হোসেন, মো. কফিলুর রহমান ভুটান, মো. জুলফিকার, মো. মুনছুর আলী, মো. কবির কাজী, মো. মান্নান ভুঁইয়া প্রমুখ।
মামলায় সাক্ষী করা হয়েছে পাঁচজনকে। তারা হলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক মো. শহিদুল ইসলাম লেবু, যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আ. রহিম মিয়া, দিঘলকান্দি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. ইকবাল হোসেন খান, লোকেরপাড়া ইউনিয়ন শাখার সভাপতি মো. আকরাম হোসেন খান, ঘাটাইল ইউনিয়ন শাখার সভাপতি মো. হায়দার আলী।
প্রসঙ্গত, মামলার আসামিরা সবাই টাঙ্গাইল- ৩ (ঘাটাইল) আসনের সাংসদ ও জেলা আওয়ামী লীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক আমানুর রহমান খান রানার সমর্থক। জেলা আওয়ামী লীগ নেতা ফারুক আহমদ হত্যা মামলায় তিনি বর্তমানে পলাতক।
কেএইচ





