ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলায় একটি সিএনজি ফিলিং স্টেশনে বিস্ফোরণে এক উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও টেকনেশিয়ানসহ ১২ জন দগ্ধ হয়েছেন। তাদের সবাইকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ণ ইউনিটে পাঠানো হয়েছে।
রোববার মজুমদার সিএনজি ফিলিং স্টেশনে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন, বাখরাবাদ ফেনী অফিসের উপ-সহকারী প্রকৌশলী ওয়াসিম উদ্দিন, টেকনেশিয়ান রফিকুল ইসলাম, ফিলিং স্টেশনের কর্মকর্তা মামুন রশিদ চৌধুরী (৩২), সিএনজি অটোরিকশা চালক এয়ার আহম্মদ (৪৫), নুরুল আমিন (৫৪), নুরুল আমিন (৩৪), জাহাঙ্গীর আলম (২২), মোহাম্মদ হান্নান (২১), মোহাম্মদ হারুন (৩৪), বাপ্পি (১৯), আবদুর রহিম ও আবু সৈয়দ।
ছাগলনাইয়া থানার অফিসার ইন চার্জ (ওসি) মো. মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, ফেনীর ছাগলনাইয়ার মজুমদার সিএনজি ফিলিং স্টেশনের গ্যাস লাইনের সংযোগ চেক করছিলেন বাখরাবদ গ্যাস লিমিটেডের ঊর্ধ্বতন কয়েকজন কর্মকর্তা।
দুপুর ১টার দিকে হঠাৎ গ্যাসের লাইটি বিস্ফোরণ বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়। এতে ঘটনাস্থলে থাকা বাখরাবাদ ফেনী অফিসের উপ-সহকারী প্রকৌশলী ওয়াসিম উদ্দিন ও টেকনেশিয়ান রফিকুল ইসলাম অগ্নিদগ্ধ হয়ে গুরুত্বর আহত হন।
তাদের উদ্ধার করতে এলে ফিলিং স্টেশানের কর্মচারী ও গ্যাস নিতে আসা সিএনজি অটোরিকশার চালকসহ আরো ১০ জন দগ্ধ হন।
আহতদের প্রথমে ছাগলনাইয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে অবস্থার অবনতি হওয়ায় ফেনী সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। ফেনী সদর হাসপাতালে আহত সকলকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ণ ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়েছে।
ফেনীর সিভিল সার্জন জাকির হোসেন জানান, আহতের মধ্যে সাত জনের মুখমণ্ডল, বুক, পেট, হাত ও পাসহ শরীরের ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ পুড়ে গেছে। তাদের দ্রুত চিকিৎসা সেবা দিতে না পারলে অনেককে বাঁচানো সম্ভব হবে না। বিস্ফোরণের পর থেকে ফিলিং স্টেশনের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
ফেনীস্থ বাখরাবাদ গ্যাস সিস্টেম লিমিটেডের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী তাইজুল ইসলাম জানান, ফিলিং স্টেশনটির নিয়মিত চেকআপ করার জন্য কর্মকর্তারা সেখানে গিয়েছিলেন। দুর্ঘটনার পর তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দুর্ঘটনার কারণ নিরুপনের চেষ্টা চালাচ্ছেন।
ঢাকা, ২২ জুন (টাইমনিউজবিডি.কম) // কেএইচ





