বিশেষ পদ্ধতিতে খড় দিয়ে কাগজ তৈরির পর সীমের বীজ পুড়িয়ে তা দিয়ে কালি বানিয়ে বাঁশের কলম দিয়ে হাতে লিখিত কোরআন শরিফটির কথা জেলার অনেকেই জানে না।

অথচ ২শ বছর পরও কোরআন শরিফের কপিটি অক্ষত আছে। কিন্তু আশঙ্কা করা হচ্ছে, এখনই কোরআন শরিফটি যথাযথভাবে সংরক্ষণ না করা হলে ভবিষ্যতে তা নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

রুবেল/ মাহমুদ.