গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের নির্বাচনী সহিংসতায় আব্দুল খালেক (৫২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীসহ আরো ১২ জন।

বুধবার দিনগত রাত ২টার দিকে উপজেলার সাপমারা ইউনিয়নের খামারপাড়া এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে হয়। গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

নিহত আব্দুল খালেক ওই ইউনিয়নের হরিপুর গ্রামের বাসিন্দা। এ ঘটনায় আহতরা হলেন ছামছুজ্জোহা (৩৫), আবদুল করিম (৩৯), মোখলেছুর রহামান (৪০), কেরামত আলী (৩৮), আবদুল মান্নান (৪০) ও লুৎফর রহমানক (৪০)। তাদেরকে উদ্ধার করে গোবিন্দগঞ্জ ও ঘোড়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

এছাড়া আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী তোফাজ্জল হোসেন সর্দারকে ঘোড়াঘাট ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী শাকিল আলম বুলবুলকে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

স্থানীয়রা জানান, নির্বাচনি প্রচারণাকে কেন্দ্র করে রাতে তোফাজ্জল ও শাকিলের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। এসময় উভয় প্রার্থীর নির্বাচনি কার্যালয় ও মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। এতে দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীসহ ১২ জন আহত হন।

সংঘর্ষের পর বৃহস্পতিবার সকালে খামারপাড়ার একটি জমিতে কাঁদামাখা অবস্থায় আব্দুল খালেকের মরদেহ পাওয়া যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। তবে তিনি কোন পক্ষের সমর্থক তা জানা যায়নি।

এরআগে চলমান ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নির্বাচনী সহিংসতায় শতাধিক লোকের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।

এমই