অতিরিক্ত কারা মহাপরিদর্শক মো. জাহাঙ্গীর কবির জানান, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বন্দীরা খাবেন বিশেষ খাবার। ঈদের দিন সকালের নাস্তায় থাকবে পায়েস-সেমাই-মুড়ি। দুপুরে থাকবে পোলাও, গরুর রেজালা (যারা গরু খান না এবং হিন্দু বন্দিদের জন্য খাসি), সেদ্ধ ডিম, মুরগির রোস্ট, মিষ্টি, সালাদ, পান-সুপারি। রাতের খাবারে পরিবেশন করা হবে সাদা ভাত, রুই মাছ ও আলুর দম।

জানা গেছে, দেশের ৭৫টি কারাগারে হাজতি ও কয়েদি মিলিয়ে প্রায় ৭৮ হাজার ৫০০ জন বন্দী আছেন। প্রতি বছর কারাগারগুলোতে বন্দীদের জন্য ঈদের দিন বিশেষ খাবার, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও খেলাধুলার আয়োজন রাখা হয়। তারা স্বজনদের সঙ্গে ৫ মিনিট কথা বলারও সুযোগ পান।

প্রতি বছর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানগুলোতে বন্দীদের মধ্য থেকে যারা শিল্পী রয়েছেন তারা গান করে থাকেন। এছাড়াও বাছাইকৃত বন্দীদের নিয়ে টিম করে আয়োজন করা হয় প্রীতি ফুটবল ম্যাচের। বন্দীদের সঙ্গে ঈদের তিন দিন স্বজনরা চাইলে দেখাও করতে পারেন।

এনএইচ