বাংলাদেশের বিশাল জলসীমার সুরক্ষায় নৌবাহিনীর আভিযানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে নৌবহরে সংযোজিত হচ্ছে নতুন তিনটি আধুনিক যুদ্ধজাহাজ। এ তিনটি যুদ্ধ জাহাজ হলো, বানৌজা ‘সমুদ্র অভিযান’ এবং বানৌজা ‘স্বাধীনতা ও ‘প্রত্যয়’।

এর মধ্যে বানৌজা ‘সমুদ্র অভিযান’ যুক্তরাষ্ট্র থেকে এবং বানৌজা ‘স্বাধীনতা ও ‘প্রত্যয়’ গণচীন থেকে সংগৃহকৃত।

বানৌজা ‘সমুদ্র অভিযান’ জাহাজটি ঘণ্টায় প্রায় ২৯ নটিক্যাল মাইল গতিতে চলতে সক্ষম।

অন্যদিকে  বানৌজা ‘স্বাধীনতা ও ‘প্রত্যয়’ নামের আধুনিক ক্ষমতা সম্পন্ন জাহাজ দুটি বিমান বিধ্বসী কামান, জাহাস বিধ্বংসী মিসাইল এবং সমুদ্র তলদেশের টার্গেটে আঘাত হানতে সক্ষম।

নৌবাহিনী সূত্র জানায়, বানৌজা সমুদ্র অভিযান বাংলাদেশ নৌবহরের ৯ম ফ্রিগেট স্কোয়াড্রনের দ্বিতীয় যুদ্ধজাহাজ। এই স্কোয়াড্রনের প্রথম যুদ্ধজাহাজ বানৌজা ‘সমুদ্র জয়’ ২০১৩ সালে বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে কমিশনিং করা হয়। ৩ হাজার ৩১৩ টন ওজন বিশিষ্ট জাহাজটির দৈর্ঘ্য ১১৫ মিটার। জাহাজটিতে ২টি ডিজেল ইঞ্জিন এবং ২টি গ্যাস টারবাইন রয়েছে।

অপরদিকে গণচীন থেকে সংগ্রহকৃত করভেট ক্লাসের মিসাইল ফ্রিগেট ‘স্বাধীনতা’ ও ‘প্রত্যয়’ জাহাজ দুটির দৈর্ঘ্যে ৯০ মিটার যা সর্ব্বোচ্চ ২৫ নটিক্যাল মাইল বেগে চলতে সক্ষম।

শনিবার ১৯ মার্চ বাংলাদেশ নেভাল একাডেমির এ তিনটি যুদ্ধজাহাজের কমিশনিং হচ্ছে।

এতে অংশ নিতে সকাল ১১টায় চট্টগ্রাম আসছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।বর্তমানে জাহাজগুলো চট্টগ্রাম নৌ ঘাঁটিতে রাখা হয়েছে।

এসটি