নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীতে কার্গো জাহাজের ধাক্কায় ডুবে যাওয়া লঞ্চটিকে তীরে নিয়ে আসার পর তল্লাশি চালিয়ে আরও ২১ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট ২৬ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া নিখোঁজ রয়েছে আরও অনেকে।

তাৎক্ষণিকভাবে নিহত ২৬ জনের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

সোমবার (০৫ এপ্রিল) দুপুরে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহণ কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেক এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে নৌপুলিশ কর্মকর্তা মো: ইউনুস জানিয়েছিলেন, নৌ পুলিশ, ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও কোস্টগার্ডের কর্মীরা উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। নিখোঁজদের স্বজনেরা ঘটনাস্থলে আহাজারি করছে। ধারণা করা হচ্ছে, ডুবে যাওয়া লঞ্চের ভেতর আরও মরদেহ আছে। এছাড়া কিছু মরদেহ স্রোতে ভেসেও যেতে পারে।

নারায়ণগঞ্জ নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: শহিদুল আলম জানান, রাবিত আল হাসান নামে যাত্রীবাহী লঞ্চ ডুবির ঘটনা ঘটে। চরসৈয়দপুর এলাকায় শীতলক্ষ্যায় নির্মাণাধীন সেতুর কাছাকাছি স্থানে একটি লাইটার জাহাজের ধাক্কায় লঞ্চটি ডুবে যায়। নারায়ণগঞ্জ থেকে যাত্রী নিয়ে লঞ্চটি মুন্সিগঞ্জের দিকে যাচ্ছিল। ডুবে যাওয়া লঞ্চটির মালিকের নাম আলাল হোসেন৷ তিনি মুন্সিগঞ্জের বাসিন্দা।

লঞ্চের যাত্রী মুন্সিগঞ্জে অধিবাসী অটো চালক দিপু জানান জানান, বড় একটি জাহাজের সঙ্গে ধাক্কা লেগে লঞ্চটি ডুবে যায়৷ তিনি সাতরে তীরে ফিরতে পেরেছেন৷

বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দীপক চন্দ্র সাহা জানান, নারায়ণগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা লঞ্চটিতে আনুমানিক ৫০/৬০ জন যাত্রী ছিল।

এমবি