জাতীয় পরিচয়পত্র ও নিবন্ধন ছাড়া কাউকে করোনার টিকা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

আগামী শনিবার (৭ আগস্ট) পরীক্ষামূলকভাবে গণটিকা কার্যক্রম শুরু হবে। এক সপ্তাহ পর ১৪ থেকে ১৯ আগস্ট পর্যন্ত পুরোদমে চলবে গণটিকা কার্যক্রম।

টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে বয়স্কদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

আজ বৃহস্পতিবার (৫ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম এসব তথ্য জানিয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আরও জানান, বিশৃঙ্খলা এড়াতে জাতীয় পরিচয়পত্র ও নিবন্ধন ছাড়া কাউকেই টিকা দেওয়া হবে না।

যারা নিজেরা নিবন্ধন করতে পারবেন না, তাদের নিবন্ধনের ব্যাপারে সহায়তা করবেন স্বাস্থ্যকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকরা।

ঢাকা মহানগরের বাইরে টিকা দেওয়ার বিষয়ে ঢাকার সিভিল সার্জন ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান বলেছেন, ‘আমাদের দেওয়া নির্দেশনা অনুসারে ৭ দিনব্যাপী টিকাদান কর্মসূচি ঠিক করা হলেও বাস্তবে টিকা দেওয়া হবে ৩ দিন।

ওই ৭ দিনের মধ্যে শুক্রবার টিকা দেওয়া হবে না, আর বাকি ৩ দিন অন্যান্য রোগের নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রম চলবে।’

এ কর্মসূচির আওতায় সিটি করপোরেশনের বাইরে ১৪ হাজার কেন্দ্রের প্রতিটিতে ৬০০ জন করে ৮৪ লাখ মানুষকে এবং সিটি করপোরেশনের নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আলাদাভাবে আরও ১৬ লাখ টিকা দেওয়া হবে।

এজন্য ১ম দফায় প্রতিটি ইউনিয়নে ৩টি করে কেন্দ্র বাছাই করা হয়েছে। এ কর্মসূচির আওতায় দেশে অন্তত ১ কোটি মানুষকে টিকা দেওয়া হবে।

ইউনিয়ন বা ওয়ার্ড পর্যায় থেকে শুরু করে রাজধানী পর্যন্ত সর্বত্র এ টিকা উৎসব চলবে।

করোনার টিকা নিতে আগ্রহীদের www.surokkha.gov.bd সাইটে গিয়ে নিবন্ধন করতে হবে। এজন্য প্রয়োজন হবে—জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর, ঠিকানা, বয়স, পেশা, শারীরিক পরিস্থিতি, ফোন নাম্বার ইত্যাদি তথ্য।

প্রথমে নিজের পেশার ধরণ বাছাই করার পরে জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ও জন্মতারিখ দিতে হবে।

এইচএন