স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান আইএস সম্পর্কে ভারতীয় সংবাদপত্রে তাকে উদ্ধৃত করে প্রকাশিত খবর অস্বীকার করেছেন।
ভারতের দা হিন্দু পত্রিকার উদ্ধৃতি দিয়ে বাংলাদেশের কয়েকটি পত্রিকায় এ সম্পর্কিত একটি খবর প্রকাশিত হয়।
ভারতের সংবাদপত্রে খবরটি প্রকাশের একদিন পর শুক্রবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাসসকে বলেন, পত্রিকাটি আমাকে ভুলভাবে উদ্ধৃত করেছে। তারা আমাকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পরিবর্তে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে উল্লেখ করেছে।
ভারতের সংবাদপত্রটি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের উদ্ধৃতি দিয়ে জানায়, ভারতে পলাতক থাকা জাপানের নাগরিকের সন্দেহভাজন খুনী দুই আইএসকে ঢাকা ফেরত দেয়ার অনুরোধ জানিয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে আইএস’র অবস্থান সম্পর্কে আমি কখনো এ ধরনের কথা বলিনি এবং পত্রিকায় প্রকাশিত দুই খুনি সম্পর্কে আমি কখনো কিছু বলিনি।
পত্রিকার খবরে বলা হয়, বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান মঙ্গলবার দা হিন্দু পত্রিকাকে বলেন, জাপানের নাগরিক কুনিও হোশি’র ঘাতক দুই আইএস ভারতে অবস্থান সম্পর্কে আমরা ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করে দিয়েছি।
তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পত্রিকার সাংবাদিক ফোনে আমার সঙ্গে কথা বলার সময়ে তার সঙ্গে আইএস ইস্যু নিয়ে কোন কথা হয়নি।
মন্ত্রী বলেন, তিনি শুধুমাত্র সম্প্রতি দিল্লিতে অনুষ্ঠিত দু’দেশের স্বরাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠকে দিল্লির কাছে হস্তান্তর করা ২০৪ জন পলাতক বাংলাদেশি অপরাধীর তালিকা সম্পর্কে কথা বলেছেন, যারা বাংলাদেশে অপরাধ করে ভারতে গিয়ে পালিয়ে রয়েছে।
তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ভারতীয় পত্রিকার কাছে কোনো প্রতিবাদ পাঠিয়েছেন কিনা তা স্পষ্ট নয়।
দা হিন্দুর বক্তব্যকে উদ্ধৃত করে ভয়েস অব আমেরিকাও একটি প্রতিবেদনে প্রকাশ করেছে যাতে বলা হয়েছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিন্দু পত্রিকার কাছে আইএসের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করলেও দেশে সবসময় জঙ্গি সংগঠনটির অস্তিত্ব থাকার কথা অস্বীকার করে এসেছেন।
এমএইচ





