কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের বিভিন্ন স্থানে ধানের শীষের মিছিল বের হয়। এবং মিছিলের ব্যাপক মানুষ যোগদান করে। তবে এই মিছিলকে কেন্দ্র করে হেলমেট বাহিনীরা হামলা ও বাড়িঘর ভাংচুর করা হয়।
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের সাবেক এমপি ডাঃ সৈয়দ আবদুল্লাহ মোঃ তাহের বলেন, এসময় তারা ২০ টি বাড়িঘর ভাংচুর করে। এবং একজনকে পুলিশ গ্রেফতারের অভিযোগ করেছেন তিনি।
বিকেলে গণমাধ্যমের সাথে এক বিবৃতিতে সাবেক এমপি বলেন, মঙ্গলবার সকালে উপজেলার কাশিনগর ইউনিয়নের যুগিরকান্দি গ্রামে যুবলীগ নেতা ইলিয়াছ হাজারীর নেতৃত্বে মাওলানা আবু বকরের বাড়ি সহ পাঁচটি বাড়ি, কালিকাপুর ইউনিয়নের নোয়াপুর গ্রামের লকিয়ত উল্লাহর বাড়ি, ধনিজকরায় আলমগীরের বাড়ি ও রানীর বাজারে হামলা করেছে আ’লীগের নেতাকর্মীরা।
হেলমেট বাহিনী প্রকাশ্যে অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে গ্রামবাসীর উপর হামলা করে পুরো এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে। পুলিশ কালিকাপুর গ্রামের আমান উল্লাহর ছেলে শরিফুল ইসলামকে গ্রেফতার করে।
তার আগে জগন্নাথদীঘি ইউনিয়নের বিজয়করা গ্রামে মোল্লা কাশেমের নেতৃত্বে সোমবার রাতে অস্ত্র নিয়ে যুবলীগ কর্মীরা মহড়া দেয়। এছাড়া দক্ষিণ বেতিয়ারা, বিজয়করা, পায়েরখোলা, যাত্রাপুর, খিরণশাল, ডাকরা, নারায়পুরে, ডেকরা বাজারে, বিজয়পুর, খিরনশাল গ্রামে মাওলানা জাকারিয়াকে মারধরসহ বিশটি বাড়িঘর ভাংচুর করেছে আ’লীগের হেলমেট বাহিনী।
এছাড়া রবিবার রাতে কনকাপৈত ইউনিয়নের ভানুস্বর গ্রামে ইউপি মেম্বার সরওয়ারের নেতৃত্বে ধানের শীষের পোষ্টার ছিড়ে ফেলা হয় কালকোট গ্রামে ধানের শীষের কর্মীদের হুমকি, করপাটি গ্রামে ধানের শীষের ২ সমর্থকের খেরের পাড়ায় আগুন দিয়েছে ছাত্র-যুবলীগের ক্যাডারা।
এসব ঘটনা পুলিশসহ প্রশাসনকে জানালেও তারা নীরব ভুমিকা পালন করেছে বলে ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন।
ডাঃ তাহের আরও অভিযোগ করেন, সারা চৌদ্দগ্রামে এক বিভীষিকাময় পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ধানের শীষের নেতাকর্মীরা গণসংযোগ-মিছিল করলেই সেখানে হামলা করা হচ্ছে। কিছুক্ষণ পর থানা পুলিশ গিয়ে উল্টো নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করছে।





