সোনালী (১৪) বাসা থেকে বের হয়েছিলেন তেজগাঁ সরকারি গার্লস স্কুলে নবম শ্রেণিতে ভর্তি হওয়ার জন্য। কিন্তু বাসা থেকে বের হয়েই হাইকোর্টের সামনে পৌঁছলে ঘাতক বাস তাকে ধাক্কা দেয়, ঘটনাস্থলেই সোনালীর মৃত্যু হয়।
এদিকে সোনালীর মৃত্যুর প্রতিবাদে তার সহপাঠিরা প্রায় আধাঘন্টা রাস্তা অবরোধ করে রাখে। ফলে ঐ রুটে রাস্তার দুই পার্শ্বে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়।
শনিবার সকাল ৮টায় রাজধানীর সেগুনবাগীচার হাইকোর্ট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
সোনালীর বাবা জাকির হোসেন জানান, ‘জেএসসিতে এ প্লাস পাওয়া সোনালী তেজগাঁ সরকারি গার্লস স্কুলে নবম শ্রেণিতে ভর্তি হতে সকালে বাসা থেকে বের হয়।

হাইকোর্টের সামনের রাস্তা পার হওয়ার সময় দ্রুতগতির ৮ নম্বর পরিবহনের একটি বাস (ঢাকা মেট্রো জ ১১-১৩২৮) তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে সে মারা যায়।’
শাহবাগ থানার ওসি আবু বক্কর সিদ্দিক বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাহবুব জানান, ‘দ্রুতগতির ৮ নম্বর পরিবহনের একটি বাস রাস্তা পার হওয়ার সময় ওই স্কুলছাত্রীকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলে সে মারা যায়। ঘাতক বাসটি জব্দ করা হয়েছে। তবে চালক পালিয়ে গেছেন।
নিহত সোনালীর গ্রামের বাড়ি পিরোজপুরের নাজিরপুর থানার ঝনঝনিয়া গ্রামে। বাবার নাম জাকির হোসেন। তিনি গণপূর্ত অধিদফতর কলোনি এলাকায় ভাড়ায় থেকে ঠিকাদারির কাজ করেন।
এআই





