ঢাকায় করোনাভাইরাসের উপসর্গে মায়ের মৃত্যুর পর কুমিল্লায় সন্তানদের দুটি বাড়ি লকডাউন করেছে স্থানীয় প্রশাসন।
মঙ্গলবার (০৭ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: ইমরুল হাসান পুলিশ ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের নিয়ে উপজেলার ময়নামতি ইউনিয়নে বাড়ি দুটি লকডাউন করেছেন।
এর আগে রোববার রাত ১১টার দিকে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ঢাকার কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ৬৫ বছর বয়সী ওই বৃদ্ধার মৃত্যু হয়। পরে সোমবার তার সন্তান পরিবার নিয়ে বুড়িচংয়ে গ্রামের বাড়িতে চলে আসেন।
বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: ইমরুল হাসান এইসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুড়িচং উপজেলার ময়নামতি ইউনিয়নের ওই বাসিন্দা তার মাকে নিয়ে ঢাকার খিলক্ষেত এলাকায় বসবাস করেন। তার মায়ের করোনাভাইরাসের উপসর্গ দেখা দেয়ায় রোববার প্রথম ঢাকার একটি প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি করান। পরে একইদিন রাতে ঢাকার কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তির পর রাত ১১টার দিকে তার মৃত্যু হয়। তার শরীর থেকে নেয়া নমুনা পরীক্ষায় পজেটিভ ফলাফল এসেছে। মায়ের মৃত্যুর পর সোমবার তিনি পরিবার নিয়ে গ্রামের বাড়িতে চলে আসেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কমকর্তা ডা: মীর হোসেন মিঠু জানান, আমরা খবর পেয়ে মঙ্গলবার দুপুরের দিকে ওই গ্রামে এসে ঢাকা থেকে আসা ওই ব্যবসায়ীসহ তার পরিবারের পাঁচ সদস্যের নমুনা সংগ্রহ করে আইইডিসিআরে পাঠান। বুধবার তার ভাইয়ের পরিবারের সদস্যদের শরীরের আলামত সংগ্রহ করা হবে। পরে ওই ব্যববসায়ী ও তার ভাইয়ের দুটি বাড়ি লকডাউন করা হয়।
বুড়িচং থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: মোজাম্মেল হক পিপিএম জানান, যতদিন ওই দুটি বাড়িতে লকডাইন থাকবে, ততদিন থানা পুলিশের পক্ষ থেকে দুটি বাড়িতে প্রয়োজনীয় খাদ্য-সামগ্রী সরবরাহ করা হবে।
এমবি





