ময়মনসিংহের সীমান্তবর্তী ধোবাউড়া উপজেলায় অপহরণের আট দিন পর বাড়ির পাশে একটি ধানক্ষেত থেকে শিশু সুমাইয়ার (৪) লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত অপহরণকারী চক্রের প্রধান আলমগীরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার সৈয়দ নূরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গতকাল বুধবার রাতে শিশুটির লাশ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ সুপার সৈয়দ নূরুল ইসলাম আজ সংবাদ সন্মেলনে বলেন, চলতি মাসের ৮ নভেম্বর জেলার সীমান্তবর্তী ধোবউড়া উপজেলার উত্তর গামারী তলা গ্রামের জুয়েলের চার বছরের শিশু সুমাইয়াকে তার চাচা আলমগীর চকলেট কিনে দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে একটি চুরি করা মোবাইল ফোনে অপহরণকারী আলমগীর সুমাইয়ার বাবা জুয়েলের কাছে ২ লক্ষ টাকা মুক্তিপন দাবি করে এবং মুক্তিপনের টাকা না দিলে ও পুলিশকে জানালে শিশুকে হত্যা করা হবে। ঘটনার তিনদিন পর শিশু সুমাইয়ার পিতা ধোবাউড়া থানায় একটি সাধারন ডায়েরী করে। পরে বিষয়টি পুলিশ সুপার জেলা গোয়েন্দা পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দেন।
পরে অপহরণকারীদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক পরিমল চন্দ্র দাস তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে অপহরণকারীদের চিহিৃত করে চক্রের প্রধান আলমগীরকে পার্শ্ববর্তী নেত্রকোনার জেলার দূর্গাপুর উপজেলার দূর্গম এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃত অপহরণ চক্রের প্রধান আলমগীরের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী এবং তার দেখানো মতে গতকাল রাতে পুলিশ উপজেলার উত্তরগামারী তলা গ্রামের বাড়ির পার্শ্বের ধানক্ষেত থেকে মাটিতে পুতে রাখা শিশু সুমাইয়ার লাশ উদ্ধার করে।
এ ব্যাপারে সুমাইয়ার পিতা জুয়েল বাদি হয়ে ধোবাউড়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
জারিফ





