দেশ বিজয়ের ৪৪ তম র্বষে এসে সরকারী বাড়ি পেলেন মহান মুক্তিযোদ্ধা পা হারানো বীর মুক্তিযোদ্ধা নায়েব সুবেদার নাজিম উদ্দিন (বীর বিক্রম)’র পরিবার। আর বাড়িটি নিজস্ব র্অথায়ন ও ব্যবস্থাপনায় নির্মাণ করে দিলেন ঠাকুরগাঁও ৩০ বিজিবি ব্যাটালিয়ন।
বিজয় দিবসের প্রাক্কালে আনুষ্ঠানিক ভাবে বাড়ির চাবি প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী মোছাঃ বলোতুনন্নসোর হাতে হস্তান্তরকরেন বিজিবি উত্তর পশ্চিমরিজিওনের কমান্ডার (রংপুর) ব্রগিডেয়িার জনোরলে মোঃ মাহফুজুর রহমান।
শহরের সত্যপীর এলাকার বাড়িটি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও বিজিবি সেক্টর কমান্ডার র্কনেল লুৎফর কবির ভুঁইয়া, জেলা প্রশাসক মুকেশ চন্দ্র বিশ্বাস, ঠাকুরগাঁও ৩০ বিজিবি ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লে. কর্নেল তুষার ইফনুস, ১৮ পঞ্চগড় ব্যাটালিয়ন বিজিবি অধিনায়ক লে. কর্নেল আরিফুল হক, ৫৬ নীলফামালী ব্যাটালয়িন বিজিবি অধিনায়ক লে কর্নেল সারওয়ার হোসনে, ৩০ বিজিবি ইন্ট অফিসার মজের তৌহিদ ও প্রেসক্লাব সভাপতি আবু তোরাব মানিক, আরো উপস্থিত ছিলেন, ঠাকুরগাঁও রোড প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোঃ সয়ৈদ আব্দুল করিম এবং বিভিন্ন গনমাধ্যম র্কমীরা।
বিজিবি, বীর বিক্রমের পরিবার ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ভিত্তিক তথ্যসূত্রে জানা যায়, ৭১ সালে তদানিন্তন পাকিস্তানি বাহিনী ইপিআর দিনাজপুর কুঠিবাড়িতে র্কমরত থাকাকালে তিনি পাকিস্তানী পক্ষ ত্যাগ করে সক্রিয়ভাবে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করেন।
ঠাকুরগাঁও জলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার হরিণমারীতে পাক বাহিনীর সাথে সম্মুখযুদ্ধে পাক বাহিনীর গুলিতে তাঁর পা উড়ে যায়। সে অবস্থায়ই তিনি বীরত্বের সাথে ৩/৪ ঘন্টা যুদ্ধ চারিয়ে প্রায় আধা ঘন্টা ক্রলিং করে নিরাপদ স্থানে পৌছাতে সক্ষম হন। পরবর্তিতে ভারতের বারাকপুর হাসপাতালে কৃত্তিম পা সংযোজন করে তিনি ৭২ এর ফেব্রুয়ারীতে স্বাধীন দেশে ফিরে তদানিন্তন বিডিআরে যোগ দেন। মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য তিনি বীর বিক্রম উপাধিতে ভূষিত হয়।
এমএম





