অবৈধভাবে সমুদ্রপথে মালয়েশিয়া পাচারকালে ৬১৩ জন নারী-পুরুষ ও ১১ জন দালালকে আটকের ঘটনায় দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটককৃতদের মধ্যে ৯৮ জনকে সুনির্দিষ্টভাবে আসামি করা হয়েছে। এছাড়া ৪৯৪ জনকে মঙ্গলবার রাতেই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দর জোনের অতিরিক্ত উপকমিশনার মোস্তাক আহমেদ জানান, টেকনাফ এলাকায় বঙ্গোপসাগরের মিয়ানমার সীমান্তের কাছে মিয়ানমারের একটি ট্রলারসহ ৬২৫ জনকে আটক করা হয়। মঙ্গলবার রাতে নৌবাহিনীর একটি যুদ্ধজাহাজে করে সবাইকে চট্টগ্রামে নিয়ে আসা হয়। এরপর যাচাই-বাছাই শেষে ৫৯২ জনকে পতেঙ্গা থানায় হস্তান্তর করে নৌবাহিনী।
তিনি জানান, এই ঘটনায় মঙ্গলবার গভীর রাতে নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ বিএনএস দুর্জয়-এর এক্সিকিউটিভ অফিসার লে. কমান্ডার মাহবুব রহমান বাদী হয়ে পতেঙ্গা থানায় দুটি মামলা দায়ের করেন। দুটি মামলায় ৯৮ জনকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।
বুধবার গ্রেফতারকৃত ৯৮ জনকে চট্টগ্রাম মহানগর আদালতে হাজির করেছে পুলিশ। ৯৮ জনের মধ্যে ১৬ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজনে রিমান্ডের আবেদন করা হবে বলে নিশ্চিত করেছেন পতেঙ্গা থানার ওসি।
পতেঙ্গা থানার ডিউটি অফিসার এসআই গোলাম আবছার সকালে জানান, মঙ্গলবার রাতে মোট ৫৯২ জনকে থানায় হস্তান্তর করা হয়। এদের মধ্যে অসুস্থ দুজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ৫৯২ জনের মধ্যে ৪৯৪ জন বাংলাদেশি। তাদের সবাইকে রাতেই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
আটককৃতদের মধ্যে মিয়ানমারের নাগরিক রয়েছেন ৮২ জন। তাদের বিরুদ্ধে বৈদেশিক নাগরিক নিয়ন্ত্রণ আইনের ১৪ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। বাকি ১৬ জনের বিরুদ্ধে মানব পাচার আইনে মামলা হয়েছে। এই ১৬ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডের আবেদন করছে পুলিশ।
জেআই





