প্রাণঘাতি তামাকজাত সকল ধরণের দ্রব্যের বিপণন ও বিজ্ঞাপন বন্ধের আহবান জানিয়েছে বাংলাদেশ মাদকবিরোধী জোট। মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে তামাক কোম্পানির অবৈধ বিজ্ঞাপন ও পৃষ্ঠপোষকতা বন্ধের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচিতে এ আহবান জানানো হয়।
জোটের সভাপতি এম রফিকুল ইসলাম মিলন বলেন, আইন থাকা সত্বেও তামাক কোম্পানিগুলো তাদের বাণিজ্যিক প্রসার বাড়িয়েই চলছে, আইন আছে কিন্তু আইনের কার্যকারিতা না থাকায় এমনটা হচ্ছে।
মিলন বলেন, আইনে তামাকজাত দ্রব্যের বিজ্ঞাপন ও প্রচারণা নিষিদ্ধ এবং পৃষ্ঠপোষকতা নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কিত বিধানে ব্যবহারে উৎসাহিত করার উদ্দেশ্যে কোন দান,বৃত্তি প্রদান বা কোন অনৃষ্ঠানে ব্যয়ভার বহন করবে না।
তামাকজাত দ্রব্যের বিক্রয়স্থলে যে কোন উপায়ে তামাকজাত দ্রব্যের বিজ্ঞাপন প্রচার করা যাবে না বা করবে না এমন বিধানসহ আরো কতিপয় বিধান থাকলেও তামাক কোম্পানিরা এসব বিধান মানছে না।
তিনি বলেন, যদিও তামাক আইনে এইসব ধারার বিধান লঙ্ঘন করলে অনুর্ধ্ব তিন মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অনধিক একলক্ষ টাকা অর্থ দণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন এবং একই ব্যক্তি পুনঃ পুনঃ একই ধরণের অপরাধ করলে উক্ত দণ্ডের দ্বিগুণ হারে দণ্ডিত হবেন।
আর কোন ব্যক্তি আঠারো বৎসর কোন ব্যক্তির নিকট তামাক বা তামাকজাত পণ্য বিক্রয় করবে না বা তামাকজাত পণ্যে বিপণন বা বিতরণ কাজে নিয়োজিত করবে না। আর এ বিধান লঙ্ঘন করলে অনধিক পাচঁ হাজার টাকা, দিত্বীয়বার বার পুণঃ পুণঃ একই ধরণের অপরাধ করলে পর্যায়ক্রমিকভাবে উক্ত দণ্ড দ্বিগুণ হারে দণ্ডিত হবে।
মিলন আরো বলেন, এসব বিধান এখন শুধুমাত্র কাগজে কলমে সীমাবদ্ধ। প্রসাশনের অবহেলার কারণে তামাক কোম্পানি গুলো নিয়ন্তণ হীন হয়ে পড়েছে। তারা অবাধে তামাকজাত দ্রব্যের বিজ্ঞাপন ও প্রচার কাজ চালাচ্ছে। আমাদের যুব সমাজও দিন দিন মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে।
অবস্থান কর্মসূচি পালন করে বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোটসহ বিভিন্ন সংঠন। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, জোটের সেক্রেটারি হেলাল আহমেদ, প্রত্যাশা মাদক বিরোধী সংগঠনের হেলাল উদ্দিন প্রমূখ।
এমএ/ এআর





