পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের গভীর পাহাড়ে শিশু কিশোরদের নিজস্ব ভাষায় পড়ালেখা শিখাচ্ছে। এটি উপজাতীয়দের কল্পিত জুমল্যান্ড রাষ্ট্রের জাতীয় ভাষা।
যা মহান ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে অবমাননা তথা দেশ দ্রোহিতার শামিল। উপজাতীরা সুপরিকল্পিত ভাবে বাংলাভাষাকে যতদূর সম্ভব মুছে ফেলার চেষ্টা করছে পাহাড় থেকে।
পাহাড়ীরা নিজ দেশের বাংলা ভাষাকে অবজ্ঞা করে একের পর এক বিদেশী ভাষা এবং তাদের নিজস্ব ভাষায় আনুগত্য প্রকাশ অব্যাহত রেখেছে। বিভিন্ন এলাকাতে বাংলার বদলে নিজস্ব ভাষায় পরিবর্তন করছে পার্বত্য এলাকার সাইনবোর্ড সমূহ।
এটি কে পার্বত্য অঞ্চল নিয়ে নতুন করে ষড়যন্ত্র মনে করেছেন একটি মহল।
এ ব্যাপারে দেশের সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ এখানে নিরব ভূমিকা পালন করছে। মহান ভাষা আন্দোলন অথবা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এখানে ভুলুন্ঠিত করছে মনে করছেন অনেকে।
অথচ বাংলাভাষা এবং পার্বত্য অঞ্চলকে নিশ্চিহ্ন করার অপপ্রয়াসে কথিত কিছু জাতীয় নেতাদের দেশপ্রেম নামক উপজাতী প্রীতি ও ভন্ডামীর মুখোশ এখনই উন্মোচিত করা উচিত বলে মনে করে সংশ্লিষ্টরা।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক বাঙ্গালী নেতা টাইমনিউজবিডিকে জানান, "পাহাড়ীদেরকে যে সরকার ক্ষমতায় আসে তারাই মদদ দেয়। তাই পাহাড় নিয়ে উপজাতী ও বিদেশী কিছু এনজিও প্রতিনিয়ত ষড়যন্ত্র করে চলেছে। বাংলাদেশের ৬১ জেলা চলে এক আইনে পার্বত্য চট্টগ্রাম চলে ভিন্ন আইনে, এক দেশে দ্বৈত আইন বাতিল করার দাবি করেন। এবং তাদের সকল কার্যক্রম দেশের প্রচলিত আইনের আওতায় আনা উচিত বলে জানান তিনি"।
ঢাকা, ২আগষ্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, কেএ





