মিয়ানমান সেনাবাহিনীর গণহত্যা-ধর্ষণের শিকার হয়ে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠাতে উদ্যোগ নেবে তুরস্ক বলে জানিয়েছেন তুরস্কের উপ-প্রধানমন্ত্রী নুমান কুরতুলমাস।
আজ বুধবার কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তুরস্কের উপ-প্রধানমন্ত্রী।
নুমান কুরতুলমাস বলেন, “রোহিঙ্গা সংকটে বাংলাদেশের পাশে সব সময় থাকবে তুরস্ক।”
এ সময় তুরস্কের উপ-প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া। তিনি বলেন, “তুরস্ক সরকার মিয়ানমার থেকে আগত প্রায় ১ লাখ রোহিঙ্গার আশ্রয়ের ব্যবস্থা করার আশ্বাস দিয়েছে। ”
মিয়ানমান সেনাবাহিনীর গণহত্যা-ধর্ষণের শিকার হয়ে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের অবস্থা এরই মধ্যে দেখেছেন তুরস্কের ফার্স্ট লেডি এমিনি এরদোয়ান। গত ৭ সেপ্টেম্বর তিনি কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলায় রোহিঙ্গাদের ক্যাম্প পরিদর্শন করেন।
গত ২৫ আগস্টের পর থেকে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে থাকে।
রোহিঙ্গাদের ওপর এই ধরনের নির্যাতনকে তুরস্ক ‘গণহত্যা’ বলে অভিহিত করেছে। গত ৩ সেপ্টেম্বর এক বিবৃতিতে রোহিঙ্গা মুসলমানদের জন্য সীমান্ত খুলে দিতে বাংলাদেশের প্রতি আহ্বান জানান তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত চাভুসোগলু। তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য যা খরচ হবে তার সবটাই বহন করবে তুরস্ক।
এমবি





