লালমনিরহাটে বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে। পানির প্রবল চাপে বিভিন্নস্থানে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ধ্বসে গেছে। ধরলার প্রবল স্রোতে সদর উপজেলার কুলাঘাট ইউনিয়নের শিবেরকুটি এলাকার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্মিত বাঁধটি ধ্বসে গিয়ে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। অপরদিকে তিস্তার প্রবল পানির স্রোতে ভেসে গেছে হাতীবান্ধার ধুবনি এলাকার বালুর বাঁধ।
ফলে কয়েক হাজার মানুষ আবারো নতুন করে পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। বন্যা দুর্গত এলাকায় মানুষজনের মধ্যে খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। এখন পর্যন্ত সরকারি কিংবা বেসরকারিভাবে বন্যা দুর্গত এলাকার মানুষের মাঝে যে পরিমাণ ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে তা খুবই সামান্য বলে জানিয়েছেন বন্যা কবলিত মানুষজন । ফলে তারা চরম দুঃখ কষ্টের মধ্য দিয়ে অনাহারে-অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছেন।
পাউবো কর্র্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভারত গজলডোবা ব্যারেজের ৫৪টি গেট খুলে দেওয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। তবে পানি নিয়ন্ত্রণে তিস্তা ব্যারেজের ৪৪টি গেট খুলে দেয়া হয়েছে। ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিভাগীয় প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান জানান, বুধবার সকালে তিস্তা ব্যারেজের ডালিয়া পয়েন্টে পানি বিপদ সীমার কিছুটা নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে ধরলার পানি এখনো বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছ।
এদিকে চরাঞ্চলের রাস্তাঘাট বন্যার পানিতে ধ্বসে গিয়ে ১০টি চরে সঙ্গে জেলা এবং উপজেলা সদরের যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে ।
জারিফ





