সুন্দরবনের শ্যালা নদীতে ২৮ দিন পর নৌযান চলাচল শুরু হয়েছে।
মঙ্গলবার নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয় নৌযান চলার অনুমতি দেওয়ার পর বুধবার সকাল থেকে নৌযান চলাচল শুরু করেছে। তবে সব ধরনের অয়েল ট্যাংকার চলাচলে নিষেধাজ্ঞা অব্যাহত রয়েছে।
ফার্নেস অয়েল ভর্তি ট্যাংকার ওটি সাউদার্ন স্টার-৭ দুর্ঘটনায় নদীতে তেল ছড়িয়ে পড়ার পর শ্যালা নৌরুটে যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।
বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ জানান, দুর্ঘটনায় তেল দূষণে সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া সুন্দরবনের শ্যালা নদীর নৌপথে ফের নৌযান চলাচলের অনুমতি দিয়েছেন সরকার।
বুধবার সকালে এই নৌ রুটের দু’পাশে আটকে পড়া প্রায় চারশত নৌযান চলাচল শুরু করেছে। এক-দু’দিনের মধ্যে আটকে পড়া নৌযান স্ব-স্ব গন্তব্যে পৌঁছাবে। সুন্দরবন এলাকায় শ্যালা নদী দিয়ে সর্তক ভাবে জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার জন্য কোস্ট গার্ড দায়িত্ব পালন করবে।
বাংলাদেশ নৌযান ফেডারেশনের মুখপাত্র আবুল কাশেম মাস্টার বলেন, ৬ জানুয়ারী সংবাদ সম্মেলন করে সরকারকে ২৪ ঘন্টার আল্টিমেটাম দেবার পর শ্যালা নৌরুটে যান চলাচলের নির্দেশ দেন সরকার। এ রুট বন্ধ থাকায় প্রায় ৮ শ’ নৌযান আটকে ছিল বলে তিনি দাবি করেন।
বুধবার ও বৃহস্পতিবারের মধ্যে সব আটকে পড়া নৌযান গন্তব্য বেরিয়ে যেতে কোন ধরনের সমস্যা হবে না । এসব নৌযানে সার, গম, সিমেন্ট কারখানার কাচাঁমাল, লবন আটকে ছিল বলে তিনি দাবি করেন।
এদিকে নৌযান শ্রমিক ফেডারেশনের মংলা শাখার সভাপতি আনোয়ার চৌধূরী নৌযান চলাচল করার অনুমতি দেওয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ জানান।
বুধবার সকাল থেকে সর্তকভাবে সুন্দরবনে শ্যালা নৌরুট দিয়ে ঝালকাঠি, পিরোজপুর, মোড়েলগঞ্জ, বলেশ্বর ও শরনখোলা এলাকায় আটকে থাকা মালবাহী কার্গো ও লাইটারেজ জাহাজ মংলা বন্দর অভিমুখে রওনা দিয়েছে।
জেআই





