বেনাপোল বন্দর এলাকায় দ্বিতীয় দিনের মত আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে শ্রমিকদের মধ্যে সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে।

আজ সকাল ১০ টায় বিভিন্ন বিস্ফোরণের মাধ্যমে ফের বন্দর এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করার চেষ্টা করে শ্রমিকরা। এতে বোমা বিস্ফোরণের ছবি তুলতে গিয়ে আহত হন দুই সাংবাদিক।

আহত সাংবাদিকে নাম যশোর জেলা প্রতিনিধি জিয়াউর রহমান জিয়া ও ক্যামেরাম্যান শরীফ উদ্দিন। তাদের ব্যবহৃত ক্যামেরাও ভাংচুর করা হয়। আহত সাংবাদিকদের উদ্ধার করে যশোর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গতকাল দুইদল বন্দর শ্রমিকদের মধ্যে সংঘর্ষে ২ জন শ্রমিক গুরুতর আহত হয়। তারই ধারাবাহিকতায় আজও আতঙ্ক সৃষ্টির জন্য বোমা বিস্ফোরণ ঘটায় তারা।

এদিকে মুহুর্মুহু বোমার বিষ্ফোরণে বেনাপোল বাজারের সকল দোকানপাট ও বন্দরের প্রধান প্রধান গেট গুলো নিরাপত্তার কারণে বন্ধ করে দেয়া হয়।

আতঙ্কে বেশ কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণা করা হয়। বেনাপোল থেকে এ সময় দুরপাল্লার কোন যানবাহন ছেড়ে যায়নি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বেনাপোল বন্দর এলাকায় অতিরিক্ত দাঙ্গা পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তবে এলাকায় বিরাজ করছে থমথমে অবস্থা।

বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি অপূর্ব হাসান জানান, বিজিবি, র‌্যাব ও ম্যাজিস্ট্রেট দ্রুত নিয়োগের জন্য আবেদন করা হয়েছে। বন্দর এলাকা থমথমে বিরাজ করছে। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন আছে বন্দর এলাকায়।

জেড