বিভিন্ন ঘটনায় পুলিশের ভূমিকার জন্য প্রশংসা করে ভবিষ্যতেও এ বাহিনী দেশের মানুষের জন্য ‘নিবেদিতপ্রাণ’ হয়ে কাজ করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বৃহস্পতিবার গুলশানে পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্ট্রের বহুতল বাণিজ্যিক ভবন ‘পুলিশ প্লাজা কনকর্ড’-এর উদ্বোধন করে তিনি এ আশা প্রকাশ করেন।
শেখ হাসিনা বলেন, “আপনাদের জন্য যেটা করি, মনে করবেন, এই দেশের মানুষের কল্যাণের কথা চিন্তা করেই করি। কাজেই আপনাদের কাছে আশা করব, সবসময় মানুষের কল্যাণে নিবেদিতপ্রাণ হয়ে কাজ করবেন।”
মানুষের জান-মালের নিরাপত্তা দেওয়া, তাদের মধ্যে স্বস্তি ও আস্থার পরিবেশ বজায় রাখা যে পুলিশের দায়িত্ব, তা মনে করিয়ে দিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, “মানুষ যদি কোনোরকম কষ্ট পায়, তাদের ওপর কোনোরকম দুর্যোগ নেমে আসে, সাথে সাথে আপনাদের সেবা পাবে, এটাই মানুষ আশা করে। কাজেই মানুষের সেই আকাঙ্ক্ষা আপনারা পূরণ করবেন। সেটাই আমরা সবসময় চাই।”
পুলিশের বিভিন্ন অবদানের কথাও অনুষ্ঠানে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।
“এই পুলিশ বাহিনী এমন একটি বাহিনী, যাদের কাজের কর্মঘণ্টা নেই, বিশ্রামও নেই। মানুষের প্রয়োজনে যখনই তাদের ডাক দেওয়া হয়, সবসময় তারা সেখানে হাজির হয়।”
জনসংখ্যার তুলনায় পুলিশের সংখ্যা কম হওয়ায় তাদের ‘খাটুনি’ বেশি হয় বলেও মন্তব্য করেন শেখ হাসিনা।
আওয়ামী লীগ সরকারের সময় পুলিশের জন্য অর্থ বরাদ্দ বাড়ানোসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টির চিত্রও অনুষ্ঠানে তিনি তুলে ধরেন।
গত জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত সারা দেশে বিএনপি-জামায়াতের আন্দোলনে নাশকতা দমনের জন্য প্রধানমন্ত্রী পুলিশ সদস্যদের ধন্যবাদ জানান। একাত্তরে পুলিশ সদস্যদের অবদানের কথাও তিনি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।
সকাল সাড়ে ১০টায় পুলিশ প্লাজা কনকর্ডের সামনে গুলশান পার্কে এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হওয়ার কথা থাকলেও প্রবল বৃষ্টিতে পানি জমে যাওয়ায় অনুষ্ঠানস্থল পরিবর্তন করা হয়।
নির্ধারিত সময়ের প্রায় দুই ঘণ্টা পরে পুলিশ প্লাজা কনকর্ডের প্রথম তলায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হয়।
শিল্পমন্ত্রী আমীর হোসেন আমু, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হক ও পুলিশ মহাপরিদর্শক শহীদুল হকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
জেআই





