মাগুরায় যুবলীগের দুপক্ষের সংঘর্ষে এক বৃদ্ধ নিহত ও মাতৃগর্ভের শিশু গুলিবিদ্ধের ঘটনায় লিটন নামে আরো দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।
রোববার রাত সাড়ে ৯টার দিকে সদর উপজেলার আলমখালী বাসস্ট্যান্ডে ঢাকাগামী সুমন পরিবহনের একটি বাস থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।
আটকরা হলেন- ফরিদ হোসেন (৪০) ও মিল্টন হোসেন। এ নিয়ে ওই ঘটনায় করা মামলায় মোট নয়জনকে গ্রেফতার করা হলো।
এর আগে রোববার দুপুরে মামলার প্রধান আসামি জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সুমন সেনকে আদালতে হাজির করা হয়। আদালত এ দিন তার সাত দিনের রিমান্ড আদেশ দিয়েছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক মো. ইমাউল হক জানান, আসামিরা চুয়াডাঙ্গা থেকে ঢাকা যাচ্ছিলেন। এজাহারভুক্ত ৬ নম্বর আসামি ফরিদ ও ১২ নম্বর আসামি মিল্টন মাগুরার দোয়ারপাড়ের বাসিন্দা।
গত ২৩ জুলাই মাগুরা শহরের দোয়ারপাড় এলাকায় যুবলীগের দুপক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় গুলিতে নিহত হন বৃদ্ধ মোমিন ভূঁইয়া। গুলিবিদ্ধ হন অন্তঃসত্ত্বা নাজমা খাতুন। তার গর্ভের শিশুও গুলিতে ক্ষতবিক্ষত হয়।
এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সুমনকে ঢাকা থেকে র্যাব আটক করে। পরে তাকে মাগুরা গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। নাজমা বেগম ও তার নবজাতক শিশুকন্যা বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এআর





