রবিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে গণভবনে তিনি সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতিকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। এসময় বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহানাও উপস্থিত ছিলেন।
এসময় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, চিফ হুইপ লিটন চৌধুরী, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, ফারুক খান, দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া ও তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক সেলিম মাহমুদসহ দলের জ্যেষ্ঠ নেতারাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
পরে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দলকে সঙ্গে নিয়ে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে মনোনয়ন জমা দেন সাহাবুদ্দিন চুপ্পু। মনোনয়নে প্রস্তাবক হিসেবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এবং সমর্থক হিসেবে ড. হাছান মাহমুদ স্বাক্ষর করেন।
সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টার মধ্যে নির্বাচন কর্মকর্তার (সিইসি) দফতরে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া যাবে। বিকাল ৪টার মধ্যে আর কেউ মনোনয়ন জমা না দিলে বা আর কোনও প্রার্থী না থাকলে এককপ্রার্থী হিসেবে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন সাহাবুদ্দিন চুপ্পু।
আর একাধিক প্রার্থী থাকলে তফসিল অনুযায়ী, সংসদের অধিবেশন কক্ষে ভোট অনুষ্ঠিত হবে ১৯ ফেব্রুয়ারি দুপুর ২টা থেকে বিকাল ৫টার মধ্যে। বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্রে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেন সংসদ সদস্যরাই। সেক্ষেত্রেও জাতীয় সংসদের ৩৫০টি আসনের সংসদে আওয়ামী লীগের সদস্য সংখ্যা এখন ৩০৫। তাই একতা নিশ্চিতভাবে বলাই যায় যে, টানা দুই বারের রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের পর বঙ্গভবনের বাসিন্দা হতে যাচ্ছেন মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনই।
এনএইচ





