পেঁয়াজ আমদানিতে ভারত ধোঁকা দিয়েছে জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, সংকটের এ শিক্ষাকে সম্পদে পরিণত করা হয়েছে। ৩ বছরের মধ্যে দেশের উৎপাদিত পেঁয়াজ বিদেশে রপ্তানি করা হবে।
প্রতিদিন এক থেকে দেড় হাজার টন পেঁয়াজ আমদানি করা হচ্ছে, শিগগিরই পেঁয়াজের বাজার নিয়ন্ত্রণে আসবে।
আজ বুধবার (২৭ নভেম্বর) সকালে রংপুর জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।
টিপু মুনশি বলেছেন, ‘তারা (ভারত) না জানিয়ে হঠাৎ করে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেওয়ায় সংকট সৃষ্টি হয়েছে। তবে আমরা যে শিক্ষা পেলাম ভবিষ্যতে আর কখনও এমন সংকট হবে না এবং দ্রুত পেঁয়াজের দাম সহনীয় পর্যায়ে আসবে।’
মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দেশে বছরে পেঁয়াজ উৎপাদন হয় ২২ থেকে ২৩ লাখ টন। পচে যাওয়ার পর অবশিষ্ট থাকে ১৭ থেকে ১৮ লাখ টন। ফলে আমাদের বার্ষিক ঘাটতির পরিমাণ ৭ থেকে ৮ লাখ টন।
পেঁয়াজের এই ঘাটতির ৯০ ভাগ পূরণ করা হতো ভারত থেকে আমদানি করে। কিন্তু গত ২৯ সেপ্টেম্বর হঠাৎ করেই ভারত পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দিলে সংকট দেখা দেয়। আমরা বিপদে পড়ে যাই। তারা আমাদের আগে থেকে জানালে এ সমস্যায় পড়তে হতো না।’
বিমানে করে পেঁয়াজ এনে সমস্যার সমাধান করা যাবে না উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘জনগণের অসুবিধার কথা চিন্তা করে ২শ' টাকা কেজি দরে কিনে টিসিবির মাধ্যমে ভর্তুকি দিয়ে ৪৫ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি করছে সরকার।’
এএস





