গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী দেবেশ চন্দ্র প্রামাণিককে হত্যার ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো তথ্য উদ্ঘাটন করতে পারেনি পুলিশ। এই ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তির কাছ থেকেও কোনো তথ্য মেলেনি।
গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক আজ বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে এসব কথা জানান।
গতকাল বুধবার সকালে উপজেলার মহিমাগঞ্জ বাজারে নিজের জুতার দোকানের ভেতরে দেবেশ চন্দ্রকে (৬৮) কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এই ঘটনায় নিপেন চন্দ্র (৩৫) নামের সন্দেহভাজন এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
হত্যার ঘটনায় দেবেশ চন্দ্রের স্ত্রী আনন্দ রানী প্রামাণিক বাদী হয়ে নিপেনসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করে গোবিন্দগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেছেন।
দেবেশ চন্দ্রকে হত্যার দায় স্বীকার করেছে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস)।
গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি মোজাম্মেল হক বলেন, দেবেশ চন্দ্রকে কেন ও কারা হত্যা করেছে, তা এখন পর্যন্ত জানা যায়নি। গ্রেপ্তার হওয়া নিপেন প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এই হত্যাকাণ্ডে তাঁর সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার করেছেন। জঙ্গি-সংশ্লিষ্টতাসহ সব বিষয় মাথায় রেখে তদন্ত করা হচ্ছে।
দেবেশ চন্দ্রের ছেলে দেবাশিষ প্রামাণিকের ভাষ্য, স্থানীয় কয়েকজন মাদকাসক্ত যুবক সম্প্রতি তাঁর বাবার কাছে চাঁদা দাবি করেছিল। চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ায় দেবেশ চন্দ্রের সঙ্গে ওই যুবকদের কথা-কাটাকাটি হয়। যুবকদের একজন নিপেন। ওই যুবকেরাই পরিকল্পিতভাবে তাঁকে হত্যা করতে পারে। আবার ভিন্ন কারণও থাকতে পারে।
গত ৮ ফেব্রুয়ারি গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা শহরের মধ্যপাড়া এলাকায় আরেক ব্যবসায়ী তরুণ দত্তকে (৩৮) প্রায় একই কায়দায় হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। পুলিশ ওই হত্যাকাণ্ডের এখন পর্যন্ত কোনো কূল-কিনারা করতে পারেনি। তরুণ দত্তকে হত্যার দায়ও স্বীকার করে আইএস।
এমবি





