কিশোরগঞ্জের নদীভাঙন কবলিত গ্রামগুলো পরিদর্শন করলেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ অ্যাডভোকেট।
অষ্টগ্রাম থেকে মিঠামইন নৌপথে আসার সময় বাজিতপুর উপজেলার দীঘিরপাড় ইউনিয়নের আচানপুর গ্রাম, নিকলী উপজেলার ছাতিরচর নদীভাঙনে বিলীনে গ্রামগুলো পরিদর্শন করেছেন।
বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় অষ্টগ্রাম উপজেলা থেকে রওয়ানা দিয়ে রাষ্ট্রপতির নিজ জন্মস্থান মিঠামইনে এসে পৌঁছান দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটে।
এসময় নদীভাঙন রোধ ও একটি হাসপাতালের দাবিতে গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতির হাতে মানপত্র দিয়েছেন নিকলী উপজেলার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মানিক চৌধুরী।
রাষ্ট্রপতি নৌবাহিনীর (এমভি ফ্লামিনগো) নামে একটি জাহাজে মিঠামইন বাজার ঘাটে এসে নামেন। এসময় রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানান, সেনাবাহিনীর প্রধান ইকবাল করিম ভূইয়া, সাংসদ রেজাউল আলম তৌফিক।
মিঠামইন বাজার ঘাট থেকে রাষ্ট্রপতি প্রায় ৫ মিনিট পায়ে হেটে পুরাতন ডাক-বাংলোর মাঠে হাজির হয়ে মিঠামইন উপজেলাবাসীর উদ্দেশে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন।
শুভেচ্ছা বক্তব্যে রাষ্ট্রপতি বলেন, এ বছর হজে যাব। হজে যাবার আগে আপনাদের দোয়া নিতে চলে এসেছি।
ডেপুটি স্পিকার থাকাকালীন সময়ে অসংখ্য বার এসেছি, স্পিকার থাকাকালীন কম এসেছি, আর এখন তো ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও আসতে পারি না। প্রচণ্ড রোদে আপনারা অনেক কষ্ট করছেন, প্রশাসনের বিভিন্ন বাহিনীর ঊর্ধ্বতন ৭-৮শ কর্মকর্তা এখানে উপস্থিত আছেন কর্মকর্তাদেরও থাকা-খাওয়ার কষ্ট হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, এলাকার উন্নয়ন করতে চেষ্টা করেছি, যতটুকু সাধ্যের মধ্যে ছিল ততটুকু করেছি। বর্তমানে যারা রাজনীতি করছে, তারাও এলাকার উন্নয়ন করবে।
পরে দুপুর পৌনে ২টার মিঠামইন জেলা পরিষদ ডাক বাংলো প্রাঙ্গণে রাষ্ট্রপতিকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।
রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ মিঠামইন উপজেলার রাষ্ট্রপতির জন্মস্থান কামালপুরের নিজ বাড়িতে রাত্রিযাপন করবেন।
ঢাকা, ১৮ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, জেআই





