জায়গা দখলকে কেন্দ্র করে সিলেটে মুহিবুর রহমান (৫৫) নামে এক প্রবাসীর বাসার তত্ত্বাবধায়ককে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধসহ আরো ১২ জন আহত হয়েছেন।

রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে বাগবাড়ি নরশিং টিলা ১৮৩/৩৩ সীমানা প্রাচীর ঘেরা বাসার জায়গা নিয়ে এ সংঘর্ষে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সন্ধ্যায় টিপুর নেতৃত্বে স্থানীয় সাজু, পাকি সোহেল, শামিম, সুমন, মোস্তাকসহ ২৫/৩০জন অস্ত্রধারী যুবক মুহিবুর রহমানের বাসার সামনে এসে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এসময় মুহিবুর ঘটনাটি কাউন্সিলরসহ স্থানীয়দের তাৎক্ষণিক অবগত করেন।

পরে এশার নামাজের পর স্থানীয় মুরব্বীদের নিয়ে মুহিবুর তার বাসার সামনে আসা মাত্র টিপুর নেতৃত্বে সেখানে অবস্থান করা যুবকরা গুলি চালায়। এতে মুহিবুর রহমান, তার বাবা হাজি আব্দুল লতিফ (৮০), চাচাতো ভাই আশিক আলীসহ (৪৫) ১০/১২ জন আহত হন।

এদের মধ্যে গুলিবিদ্ধ মুহিবুর রহমানের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় রাত ১১টার দিকে ঢাকা নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।

কাউন্সিলর মখলিছুর রহমান কামরান বলেন, বাগবাড়ি নরশিং টিলা ১৮৩/৩৩ সীমানা প্রাচীর ঘেরা বাসার জায়গার মালিক প্রবাসী সুজিয়া বেগম। জায়গাটি দেখাশোনা করেন তারই এক আত্মীয় মুহিবুর রহমান। কিছুদিন আগে একই এলাকার টিপু জায়গার দখল দাবি করে সাইনবোর্ড গুড়িয়ে দেন। যে কারণে ওই জায়গার ওপর মৌখিক নিষেধাজ্ঞা দিয়ে বিষয়টি সালিশের মাধ্যমে দেখে দেওয়ার আশ্বাস দেন।

তিনি ঢাকায় অবস্থান করছেন জানিয়ে বলেন, সিলেটে ফিরে বিষয়টি নিষ্পত্তি করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলাম। কিন্তু রোববার বিকেলে টিপুর নেতৃত্বে বাসার সামনে গিয়ে ককটেল ফুটানো হয়। তিনি মুহিবুর রহমানকে পুলিশের হাওলা হওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। রাতে তারা আবারো বাসার দখল নিতে গিয়ে গুলি চালায় বলে শুনেছেন। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় রাতে ঢাকায় নেওয়ার পথে মুহিবুর রহমান মারা যান।

এবিষয়ে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) মহানগর পুলিশের একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলেও তাদের কেউই ফোন রিসিভ করেননি।

এএইচ