দেশে বৈধ উপায়ে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের (প্রবাসী আয়) ওপর ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা দেওয়া শুরু হয়েছে। এটি ১ জুলাই ২০১৯ থেকে কার্যকর হয়েছে।

বুধবার (২ অক্টোবর) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে ২০তম সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে একথা জানান অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। পরে বাংলাদেশ ব্যাংকও এ বিষয়ে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, রেমিট্যাকে বৈধ চ্যানেলে আনতে উৎসাহিত করার জন্য ২ শতাংশ নগদ সহায়তার দেয়ার জন্য ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে ঘোষণা দিয়েছিলাম।

সিস্টেম ডেভেলাপ করার জন্য এটা বাস্তবায়নে আমাদের সময় লেগে গিয়েছে। তবে এই মুহূর্তে কেউ ব্যাংকে গেলে রেমিট্যান্স পাঠাতে পারবে এবং ২ শতাংশ হারে নগদ সহায়তাও পাবে।

তিনি আরও বলেন, গত তিন মাসে অর্থাৎ ১ জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যত রেমিট্যান্স বাংলাদেশে পাঠিয়েছে তাদের সে ক্লেমটা রয়েছে। তারাও ২ শতাংশ হারে নগদ সহায়তা পাবেন।

এ সিস্টেমটি পুরোপুরি চালু হতে হয়তো দু-একদিন সময় লাগতে পারে। তারপরও সারা বিশ্বে আমাদের রেমিট্যান্স আহরণে যেসব এজেন্সি কাজ করে এটি কার্যকরের জন্য তাদের আমরা বিষয়টি অবহিত করেছি। তারা যেন এটি বাস্তবায়নে কোনো কালক্ষেপণ না করে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘১ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার প্রতি ট্রান্সজেকশনে কোনো প্রশ্ন করা হবে না, কোনো কাগজ চাওয়া হবে না। ১ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার বেশি হলে কাগজপত্র দেখাতে হবে।

তবে একজন যদি তিন তিনবার রেমিট্যান্স পাঠায় এবং সেটা যদি ১ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলারের মধ্যে থাকে তাহলে কোনো প্রশ্ন করা হবে না, কোনো কাগজও দেয়া লাগবে না।’

তিনি বলেন, এ ঘোষণা দেয়ায় অনেক কাজে এসেছে। এর ফলে গত তিন মাসে প্রায় ১৫-১৬ শতাংশ রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

আগে প্রতিবছর ১৫ থেকে ১৬ বিলিয়ন রেমিট্যান্স আসত। এবার সেটি ১৮ থেকে ২০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হবে বলে আশা করছি।

এএস