সিলেট নগরীর রায়নগরে প্রতিপক্ষের হামলায় বিপ্লব রায় বিকল (২৮) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।তিনি নগরীর মেজরটিলা এলাকার বিজয় লালের ছেলে। এ ছাড়ও এ ঘটনায় বিপ্লবের দুই বন্ধু আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
মঙ্গলবার দিবাগত মধ্যরাতে নগরীর রায়নগর পয়েন্টে এ হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় গুরুতর আহতদের সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রাত দেড়টার দিকে আহত বিপ্লব রায় বিকল চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ৫ নং ওয়ার্ডের কর্তব্যরত নার্স অনিতা জানান, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে বিপ্লবের মৃত্যু হয়েছে। রাত দেড়টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক রুবেল তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বিপ্লবের বুকের বাম পাশে আঘাতের চিহ্ন ছিল বলে জানান তিনি।
আহতরা হচ্ছেন- নগরীর রায়নগর ১৯ নম্বর গলির হরিলাল দাসের ছেলে অনন্ত লাল দাস (২৮) ও রায়নগর সেবক ১৩৩ নম্বর বাসার স্বপন দের ছেলে প্রীতম দে (২৬)।
আহত অনন্ত লাল দাস জানান, রাত ১১টার দিকে বিপ্লব ও প্রীতম হযরত দাদা পীর (র.) মাজার এলাকায় আড্ডা দিচ্ছিল। এ সময় জমসেদ সিরাজ বিপ্লবকে ডেকে নেয়। সেখানে বিপ্লবের সঙ্গে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে জমসেদ ও তার সহযোগীরা তাদেরকে মারধর করতে থাকে। খবর পেয়ে প্রীতম, শুভ ও অনন্ত ঘটনাস্থলে যায়।
সেখানে যাওয়ার পর তাদেরকেও মারধর করে জমসেদ ও তার সহযোগীরা। মারধরে গুরুতর আহত হলে রাত সোয়া ১২টার দিকে তাদেরকে ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বিকলসহ চারজনকে ভর্তি করা হয় ওসমানী হাসপাতালের ৫ নং ওয়ার্ডে। সেখানে বিকলের শরীরে দুই ব্যাগ রক্ত পুশ করা হলেও তার শরীর থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণ হতে থাকে। এক পর্যায়ে রাত দেড়টার দিকে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
অনন্ত লাল দাস আরো জানান, এ হামলায় ১৮ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও অর্থমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী জাভেদ সিরাজের ছোট ভাই যুবলীগ নেতা জমসেদ সিরাজ ছাড়াও তার সহযোগী কবির, জীবন ও রুবেল অংশ নেয়।
সিলেট কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল আহমদ জানান, রায়নগরে জাবেদ সিরাজের ভাইয়ের সঙ্গে ছাত্রলীগের অপর একটি গ্রুপের মারামারি হয়েছিল। এ নিয়েই মূলত এ মর্মান্তি ঘটনা ঘটেছে।
রবিন





