কেন্দ্র ঘোষিত বিক্ষোভ কর্মসূচির অংশ হিসেবে শনিবার সকালে মিরপুরে জামায়াতে ইসলামির বিক্ষোভ মিছিলে গুলি ছুড়েছে পুলিশ। এ সময় পুলিশ দু'জনকে আটক করেছে বলে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার সকালে ঢাকা মহানগরীর মিরপুর জোন আয়োজিত একটি বিক্ষোভ মিছিল মিরপুর সাড়ে ১০ থেকে শুরু হয়ে নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে ১০ নং এসে সমাবেশে মিলিত হয়। সমাবেশের শেষ পর্যায়ে পুলিশ জামায়াতের নেতাকর্মীদের উপর হামলা করে। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
এক পর্যায়ে বিক্ষোভকারীদের উপর গুলি ছুড়ে পুলিশ। এ সময় পুলিশ ২ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়।
তবে পল্লবি থানার ওসি জিয়াউর রহমান টাইমনিউজ বিডিকে জানান, জামায়াতের মিছিলে পুলিশ বাধা দিলে তারা পুলিশের উপর ককটেল নিক্ষেপ করে। এতে পুলিশের কেউ হতাহত হয়নি। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে সানাউল্লাহ নামের এক জনকে আটক করা হয়েছে।
তার বাড়ী জামালপুর বলে জানান তিনি।
সমাবেশে জামায়াতের ঢাকা মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারী মোবারক হোসাইন বলেছেন, সরকার জাতীয় নেতাদের কন্ঠকে চিরস্তরে স্তব্ধ করে দেয়ার জন্যই কথিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের নামে জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের দীর্ঘদিন ধরে কারারুদ্ধ করে রেখেছে। আর সে ষড়যন্ত্রের ধারাবাহিকতায় সাঈদীকে অসম্মান ও অপদস্ত করা হচ্ছে। কিন্তু জনগণ সরকারের এই অপরাজনীতি ও ষড়যন্ত্র কখনোই মেনে নেবে না।
তিনি জুলুম-নির্যাতন বন্ধ করে অবিলম্বে মাওলানা সাঈদীকে মুক্তি দিতে সরকারের প্রতি জোর দাবী এবং আগামীকালে হরতাল সর্বাত্মকভাবে সফল করতে সর্বস্তরের নগরবাসীর প্রতি আহবান জানান।
সরকারের শুভবুদ্ধির উদয় না তাদেরকে গণরোষের মুখোমুখি হতে হবে বলে এসময় তিনি মন্তব্য করেন।
সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় শিক্ষা সম্পাদক মোবারক হোসাইন, ঢাকা মহানগরীর পশ্চিমের সভাপতি তামীম আহমদ, স্কুল বিষয়ক সম্পাদক সোহেল, ঢাকা মহানগরী জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য লস্কর মোহাম্মদ তসলিম, ঢাকা মহানগরী মজলিশে শুরা সদস্য আব্দুস সালাম, সোলাইমান হোসেন ও মিজানুল হক, জামায়াত নেতা আশরাফুল আলম ও শাহ আলম তুহিন প্রমূখ।
তিনি সরকারকে নেতিবাচক রাজনীতি বন্ধ করে অবিলম্বে আমীরে জামায়াত মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীসহ শীর্ষ নেতৃবৃন্দের নিঃশর্ত মুক্তি দাবী করেন।
ঢাকা, ২০ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, এএইচ





