সিলেট ও মুন্সীগঞ্জে র্যাবের সাথে কথিত বন্দুকযুদ্ধে দুই জন নিহত হয়েছে। দুই জনই মাদক ব্যবসায়ী বলে র্যাবের দাবি।
সিলেট:
সিলেটে র্যাবের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে শহিদ মিয়া নামে তালিকাভূক্ত এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার গভীর রাতে দক্ষিণ সুরমা উপজেলার মোগলাবাজার থানার শ্রীরামপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
র্যাব জানায়, মাদক ব্যবসায়ীদের মাদক বেচাকেনার গোপন খবর পেয়ে শ্রীরামপুর এলাকায় অভিযান চালায় র্যাব সদস্যরা। উপস্থিতি টের পেয়ে র্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে মাদক ব্যবসায়ীরা। র্যাবও পাল্টা গুলি ছোড়ে। পরে মাদক ব্যবসায়ীরা পিছু হটে। ঘটনাস্থল থেকে শহিদ নামের একজনের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করে র্যাব। এছাড়া ঘটনাস্থল থকে একটি বিদেশি পিস্তল ও বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধারের দাবি করেছে র্যাব।
র্যাবের দেয়া তথ্য অনুযায়ী নিহত শহিদ মিয়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত শীর্ষ মাদক সম্রাট । তাকে দীর্ঘদিন ধরে খুঁজছে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী। গুলিবিদ্ধ লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।
মুন্সীগঞ্জ:
এদিকে মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
আজ বুধবার ভোর ৪টার দিকে উপজেলার পূর্ব সোনারং গ্রামের আলম শেখের বালুর মাঠ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে দাবি করেছে র্যাব। নিহত ব্যক্তির নাম আবুল হোসেন (৪৭)। তিনি উপজেলার কুণ্ডেরবাজার এলাকার বাসিন্দা।
র্যাব-১১ নারায়ণগঞ্জের উপপরিচালক মেজর আশিক বিল্লাহ দাবি করেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব ভোরে টঙ্গিবাড়ীর পূর্ব সোনারং গ্রামে অভিযানে যায়। সোনারং মেইন রোডের পাশে আবুল হোসেন তাঁর বাহিনীর চার-পাচজন সদস্য নিয়ে সভা করছিল।
‘তারা র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে গুলি করে। তখন র্যাবও পাল্টা গুলি চালায়। পরে সেখান থেকে আবুল হোসেনক গুলিবিদ্ধ অবস্থায় টঙ্গিবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। মরদেহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে।’
র্যাব উপপরিচালক আরো দাবি করেন, এতে তাদের দুই সদস্য আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তল, তিনটি গুলি, একটি ম্যাগাজিন, ৫০০টি ইয়াবা, নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। আবুল হোসেনের বিরুদ্ধে ১৬টি মামলা আছে, যার বেশিরভাগ মাদক আইনে।
জেড





